Sylhet Today 24 PRINT

রাবির দশম সমাবর্তন ২৪ মার্চ, থাকছেন না আচার্য

রাবি প্রতিনিধি |  ০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দশম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে ২৪ মার্চ। সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্ব করবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুস সোবহান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপাচার্য অধ্যাপক সোবহান বলেন, সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে বঙ্গভবনে গিয়েছিলাম। সেখানে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে সমাবর্তনের বিষয়ে বলেছি। মহামান্য রাষ্ট্রপতি সমাবর্তনের তারিখ হিসেবে ২৪ মার্চের পক্ষে মত দিয়েছেন।

‘মহামান্য রাষ্ট্রপতি দশম সমাবর্তনের থাকবেন না। কারণ এই সমাবর্তন ২০১৬ সালে হওয়ার কথা ছিল। সে সময় সমাবর্তনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি থাকবেন না জানিয়ে তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রীকে সভাপতিত্ব করার নির্দেশ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেন’- বলছিলেন উপাচার্য।

সমাবর্তন বক্তার বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ‘ওইটা এখনো ঠিক করা হয়নি। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে আমরা যোগাযোগ করবো, বাইরের কাউকে আনতে পারি কিনা। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, আমরা যাকে সমাবর্তনের বক্তা হিসেবে সিদ্ধান্ত নেবো, সেই সিদ্ধান্তেই তাঁর সম্মতি থাকবে।’

এর আগে ২০১৬ সালে রাবির দশম সমাবর্তন আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ওই বছরের ৩ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলে। সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সময়ে পিএইচডি, এমফিল, স্নাতকোত্তর এবং এমবিবিএস, বিডিএস ও ডিভিএম ডিগ্রি অর্জনকারী প্রায় পাঁচ হাজার ২৭৫ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেন। ২০১৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর সমাবর্তন আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়। সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহানকে আহ্বায়ক করে সমাবর্তন প্রস্তুতি কমিটিও গঠন করা হয়। কিন্তু সমাবর্তন বক্তা ও প্রশাসনিক জটিলতায় স্থগিত হয়ে যায় সমাবর্তন।

২০১৬ সালের মার্চে উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিন ও উপ উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহানের মেয়াদ শেষ হয়। ফলে বন্ধ হয়ে যায় সমাবর্তন আয়োজনের সকল কার্যক্রম। প্রায় দুই মাস অভিভাবক শূন্য থাকার পর ৭ মে উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক আবদুস সোবহান নিয়োগ পান।

পরবর্তী সময়ে তিনি সমাবর্তনের কার্যক্রম হাতে নেন। এ বছরের ২৩ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাদ পড়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এতে মোট রেজিস্ট্রেশনকারী গ্রাজুয়েট সংখ্যা দাঁড়ায় ৬ হাজার ৯ জন।

এদিকে, সমাবর্তন আয়োজনে নতুন গঠিত কমিটি ২৯ জানুয়ারি প্রথম সভা করে। সেখানে সমাবর্তন আয়োজনে সব প্রস্তুতি সম্পন্নে দায়িত্ব বরাদ্দ করা হয়। উপাচার্য এ সমাবর্তন আয়োজন কমিটির সভাপতি।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.