Sylhet Today 24 PRINT

ক্যাম্পাস ছাড়লো রাবির ৫ নেপালি শিক্ষার্থী

রাবি প্রতিনিধি |  ১৬ জানুয়ারী, ২০১৯

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করবে না জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরি থেকে চলে গেছে ৫ নেপালি শিক্ষার্থী। এরই মধ্যে তাদের নিজ দেশে চলে যাওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বরাবর এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর আব্দুল কাইয়ুম ইন্টারন্যাশনাল ডরমিটরির ওয়ার্ডেন অধ্যাপক ড. আশাদুল ইসলাম।

নেপালি ওই শিক্ষার্থীরা হলেন, ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্স বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী উজ্জ্বল মাহাতো (পাসপোর্ট নং-০৯৮৮১৯০১ ও ভিসা নং- এ ০৮৪৮৪২৮), সুজান পারাজুলি (পাসপোর্ট নং ১০৬৪৫০৫৩ ও ভিসা নং এ ০৮৪৮২৯৮), মিলন কুমার মোকতার (পাসপোর্ট নং-০৬৫৮২২৬৪ ও ভিসা নং-এ০৮৪৮২৯৬), বিনোদ লামিছানে (পাসপোর্ট নং-১০৬৪৫০২৯ ও ভিসা নং এ০৮৪৮৫০৯) এবং কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী লিলা জুং রায়া মাঝি (পাসপোর্ট নং-০৯৮৬৬৩৯৮ ও ভিসা নং-এ০৮৪৮৪৩১)।

তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বলে লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে।

প্রক্টর বরাবর দেওয়া অভিযোগ পত্র থেকে আরো জানা যায়, ‘পাঁচজন নেপালি শিক্ষার্থী কোনো অনুমতি ছাড়া শহীদ মীর আব্দুল কাইয়ুম ইন্টারন্যাশনাল ডরমিটরি ত্যাগ করেছেন। বিভিন্ন রুম পর্যবেক্ষণের সময় বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয়। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার সময় তাদের পাশের রুমের এক নেপালি ছাত্র আনন্দ কুমার সাহা নিশ্চিত করে যে, তারা আমাদের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে না। তাই একেবারেই ডরমিটরি ত্যাগ করে দেশে ফিরে গেছে।’

ফার্মেসি বিভাগের প্রথম বর্ষের নেপালি শিক্ষার্থী আনন্দ কুমার সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘তাদের অন্য কোনো কারণও থাকতে পারে। তবে তিনি এর বেশি বলতে পারবেন না।’

অন্যদিকে চলে যাওয়া শিক্ষার্থীরা অনিয়মিত ছিলেন বলেও বিভাগ প্রধানরা জানান।

ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্স বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থীরা প্রথম থেকেই অনিয়মিত ছিল। বর্তমান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পড়ালেখার প্রতিযোগিতায় টিকতে না পারায় চলে যেতে পারে এমনটাই ধারণা করছেন তিনি।’

কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি ড. বিমল কুমার প্রামাণিকও শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে একই কথা জানান।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ‘কয়েকজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে না জানিয়ে ডরমিটরি ত্যাগ করার বিষয়টি আমাকে লিখিত জানানো হয়েছে। বিষয়টি একাডেমিক শাখা দেখাশোনা করে। এ বিষয়ে দায়িত্বরত উপ-রেজিস্ট্রারকে জানানো হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি চিন্তা-ভাবনা করে ব্যবস্থা নিবে।’

বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার এএইচএম আসলাম হোসেন বলেন, ‘এখনো আমাকে ভর্তি বাতিল করে চলে গেছে বা এখানে পড়বে না, সে বিষয়ে লিখিত দেয়নি তারা। এছাড়া বিভাগ থেকেও জানানো হয়নি তারা ক্লাস করছে কি না। লিখিত দিলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারব। তারা যদি আবার ফিরে আসে তাহলে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারবে বলেও জানান তিনি।’

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.