সিলেটটুডে ডেস্ক | ০৫ অক্টোবর, ২০২৬
বিশ্ব শিক্ষক দিবস আজ ৫ অক্টোবর। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হচ্ছে। ইউনেস্কোর উদ্যোগে ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিবছর এদিন বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করা হয়।
জানা যায়, প্যারিসে ১৯৯৩ সালে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ সভায় ৫ অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরপর ১৯৯৪ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালন করা হয়।১৯৯৫ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ পালন শুরু হয়। ইউনেস্কোর অনুমোদনক্রমে প্রতিবছর পৃথক প্রতিপাদ্যে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
দিবসটি পালনের লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষকদের স্মরণ করা এবং তাঁদের সম্মান জানানো। এ বছরে শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য ‘স্ট্যান্ডিং উইথ টিচার্স: সিক্সটি ইয়ার্স অব প্রোটেকটিং দ্য প্রফেশন, অ্যাডভান্সিং ইটস স্ট্যাটাস, শেপিং আওয়ার ফিউচার্স’।
এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও এই দিবস পালন করা হয়। দিবসটি পালনের অংশ হিসেবে আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত কেন্দ্রীয় উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষকদের হাতে নগদ দুই লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বছর প্রথমবারের মতো প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ১০০ জন নির্বাচিত শিক্ষককে জাতীয় পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদান করা হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গুণী শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি ও পেশাগত স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে এ বছর জাতীয় সম্মাননার পরিধি ১২ জন থেকে বাড়িয়ে ১০০ জনে উন্নীত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক স্তরের (স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) পর্যায়, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে তাঁদের বাছাই করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবার প্রাথমিক স্তরে ১০টি, মাধ্যমিক স্তরে ২০টি, কলেজে ২৫টি, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০টি, মেডিক্যাল কলেজে ১০টি, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩টি, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩টি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪টি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কোটায় ৫টিসহ মোট ১০০ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং ইউজিসি গঠিত পৃথক সার্চ কমিটির প্রস্তুত করা প্যানেল থেকে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি এই ১০০ জন শিক্ষককে চূড়ান্ত করেছে।