Sylhet Today 24 PRINT

ক্লিনটন পরিবারের ফান্ডে প্রায় তিন লাখ ডলার অনুদান দিয়েছেন ইউনূস

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ২৪ আগস্ট, ২০১৬

ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে অনুদান দিয়েছেন  বাংলাদেশের নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বার্তা সংস্থা অ্যাসেসিয়েট প্রেস (এপি) এই তথ্য জানিয়েছে। এপি জানায়, হিলারি ক্লিনটন পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে তার সঙ্গে যারা ব্যক্তিগত কারণে দেখা করেছেন, তাদের অর্ধেক ব্যক্তি নিজে বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে অনুদান দিয়েছেন। এর মধ্যে ইউনূসও রয়েছেন।

এই অনুদানের ফলে  যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে হিলারি ক্লিনটনের নীতি আবারও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ল। হিলারির প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্প আগে থেকেই জানিয়ে আসছেন তিনি নির্বাচন করছেন তার নিজের টাকায় তাই অন্য কেউ তার নীতি প্রভাবিত করতে পারবে না আর হিলারি নির্বাচন করছেন অন্যের টাকায় কাজেই তাকে অন্যের কথা শুনতে হবে।

এপি বলছে, এ সময় গ্রামীণ আমেরিকা, যে সংস্থাটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন ইউনূস, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে এক লাখ থেকে আড়াই লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে। গ্রামীণ রিসার্চ নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠান, যেটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বেও রয়েছেন ইউনূস, সেই প্রতিষ্ঠান থেকেও ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার অনুদান দেয়া হয়েছে।

তবে ব্যাংকের মুখপাত্র বেকি অ্যাশ বলছেন, ওই ফাউন্ডেশনের ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ সম্মেলনে অংশগ্রহণের ফি হিসাবে ওই ডলার দেয়া হয়েছে।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, দায়িত্ব পালনকালে ব্যক্তিগত কারণে হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে দেখা করা বা ফোনে আলাপ করা ১৫৪জন ব্যক্তির মধ্যে ৮৫জনই তাদের পারিবারিক ফাউন্ডেশনে অনুদান দিয়েছেন। তাদের মোট অনুদানের পরিমাণ ১৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তবে এই ১৫৬জনের তালিকায় মার্কিন ফেডারেল কর্মকর্তা বা বিদেশী সরকারের কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এপি জানতে পেরেছে যে, হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে যারা সরাসরি বা ফোনে ব্যক্তিগত কারণে আলাপ করেছেন আর যারা ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে অনুদান দিয়েছেন, তাদের মধ্যে যেন একটি যোগসূত্র রয়েছে।

যদিও এর ফলে মার্কিন কোন আইন ভঙ্গ হয়নি। কিন্তু পুরো ব্যাপারটার মধ্যে একটি ইঙ্গিত রয়েছে যেন, তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের সাক্ষাতের বিনিময়েই তারা ওই অনুদান দিয়েছেন।

সম্প্রতি হিলারি ক্লিনটনের যেসব ব্যক্তিগত ইমেইল এবং প্রকাশ হয়েছ, সেখানেও দেখা যাচ্ছে যে শীর্ষ অনুদান দাতাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তবে এপির ওই বিশ্লেষণকে ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন হিলারি ক্লিনটনের মুখপাত্র ব্রায়ান ফ্যালোন। তিনি বলছেন, হিলারি ক্লিনটনের বৈঠকগুলোকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং তাকে একপাক্ষিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে তার দায়িত্ব পালনের প্রথম অর্ধেকটা সময় এখানে উল্লেখ করা হয়েছে, পুরো সময়টা নয়।

এদিকে এই ঘটনার জেরে সমালোচনা মুখর হয়ে উঠেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি বলছেন, এখন এটা বোঝা খুবই কঠিন যে, কোথায় ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের শেষ আর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শুরু। কারণ হিলারি ক্লিনটন পাবলিক অফিস ব্যবহার করে ব্যবসা শুরু করেছিলেন।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.