সিলেটটুডে ওয়েব ডেস্ক | ২৫ এপ্রিল, ২০১৫
নেপালে সাম্প্রতিকালের সবচেয়ে ভয়াবহতম ভূমিকম্পের জেরে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট এভারেষ্টের বেসক্যাম্পে। ভয়াবহ তুষারধসে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে কয়েকটি বেসক্যাম্প। কেবল ১ ও ২ নম্বর বেসক্যাম্প থেকেই উদ্ধার করা হয় ১৮ জনের মৃত দেহ। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। নিহত সবাই পর্বতারোহী তবে তাঁরা কোন দেশের নাগরিক তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ১২ জনের ভারতীয় বাঙালি অভিযাত্রীর একটি দলের বেঁচে থাকার খবর পাওয়া গেছে।
১৪ এপ্রিল এভারেস্ট শৃঙ্গ জয়ের উদ্দেশে রওনা দেন বাঙালি অভিযাত্রীদল৷ ওই দলে রয়েছেন,
সত্যরূপ সিদ্ধান্ত, দেবরাজ দত্ত, সুনীতা হাজরা, মলয় মুখোপাধ্যায়, রূদ্র প্রসাদ হালদার, চেতনা সাউ, প্রদীপ সাউ, গৌতম ঘোষ, লিপিকা বিশ্বাস, রমেশ রায়, , সৌরভ সিঞ্চন মণ্ডল ও জ্যোত্স্না শেঠ
ভারতীয় গণমাধ্যম এপিবি আনন্দ সূত্রে জানা যায়- কুম্ভ হিমবাহের ১৭ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় এভারেস্টের বেসক্যাম্প। সেখানে আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন অভিযাত্রী।
সত্যরূপ-সহ ৫ পর্বতারোহী এদিন ছিলেন বেসক্যাম্পেরই ঠিক পাশে গোরখশেপে। চলছিল মধ্যাহ্নভোজন৷ হঠাত্ই পাহাড়বেয়ে নেমে আসা মূর্তিমান আতঙ্ক৷ তুষারধস। বরফের গুঁড়োয় ঢেকে যাওয়া আকাশ৷ বিপর্যয়ের কোপে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা নিসর্গ৷ গোরখশেপ এলাকা তেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি৷ কিন্তু, প্রবল ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেসক্যাম্প৷ ১ ও ২ নম্বর বেসক্যাম্পে মৃত্যুদূত হয়ে দেখা হয় বরফ-ধস৷ সেখান থেকে বেশ কয়েকজন পর্বতারোহীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে৷ জখমের সংখ্যাও বহু৷ তবে, অল্পের জন্য রক্ষা পান বাঙালি অভিযাত্রীরা। বাংলা ও অসমের অভিযাত্রীদল নিরাপদেই আছে বলে জানিয়েছেন সত্যরূপ সিদ্ধান্ত।