Sylhet Today 24 PRINT

১২ বছর এক জায়গায় থাকলে বসবাসকারীর অধিকার জন্মায়: মমতা

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ২৬ নভেম্বর, ২০১৯

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ১২ বছর এক জায়গায় থাকলে সেই জায়গার ওপর বসবাসকারীর একটা অধিকার জন্মায়। পাশাপাশি উদ্বাস্তু পরিবারের জন্য তিন একর পর্যন্ত জমি দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, সোমবার বিকেলে রাজ্য সচিবালয় নবান্ন থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন মমতা। কেন্দ্রীয় সংস্থার ৯৭৩ একর ও বেসরকারি সংস্থার ১১৯ একর জমিতে এই সত্ত্ব দেওয়া হবে বলে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর ফলে প্রায় ১১ হাজার ৯৮৬টি পরিবারের ৫৫ হাজার সদস্য উপকৃত হবেন।

মমতা জানান, রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন্ধ হওয়া বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থার জমিতে দীর্ঘদিন ধরে যে উদ্বাস্তুরা বসবাস করছেন। তাদের তিন একর পর্যন্ত জমির সত্ত্ব প্রদান করা হবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “১২ বছর এক জায়গায় থাকলে সেই জায়গার ওপর বসবাসকারীর একটা অধিকার জন্মায়। আর গত প্রায় ৫০ বছর ধরে উদ্বাস্তুরা এই রাজ্য বসবাস করছেন। ভোটাধিকার বা অন্য সুযোগ-সুবিধা পেলেও এত দিন জমির অধিকার পাননি।”

আরও বলেন, “১৯৭১ সালের মার্চ থেকে নিজের জমি বা নিজের বাড়ি ছিল না তাদের। আমরা বহুবার কেন্দ্রকে এই সমস্যা সমাধানের কথা বলেছি। কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। উল্টো ওই জমি থেকে উদ্বাস্তুদের উচ্ছেদের জন্য মাঝেমধ্যেই নোটিশ পাঠায়। আমার মনে হয় উদ্বাস্তুদের অধিকার আছে। তাই রাজ্য সরকারের তরফে যেখানে তারা বসবাস করেন সেই জমির স্বত্বাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।”

মমতা বলেন, “এখনো পর্যন্ত তিন একর পর্যন্ত জমিতে এই সত্ত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদি কারো কাছে তার থেকেও বেশি জমি থাকে তাহলে সরকারিভাবে সমীক্ষা করার পর ওই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

এদিকে বিষয়র বাস্তবায়নে সমস্যা হতে পারে বলে মন্তব্য আইন বিশেষজ্ঞদের। তাদের মতে, এভাবে কেন্দ্রীয় সংস্থার জমি অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পরেই এটা করা যেতে পারতো।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.