সিলেটটুডে ডেস্ক | ১৩ মে, ২০২১
দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে উঠার সময় পন্টুনের তার ছিঁড়ে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়ার দুইদিন পর নিখোঁজ মাইক্রোবাস চালক মারুফ হোসেনের (৪২) মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ মে) সকাল ৮টার দিকে দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাটের নিচের দিকে পদ্মা নদী থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
চালক মারুফ হোসেনের বাড়ি সিলেট হলেও তিনি ঢাকার রামপুরায় থাকতেন। তিনি তিন কন্যা সন্তানের বাবা ছিলেন।
দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. মুন্নাফ আলী শেখ জানান, মঙ্গলবার (১১ মে) চুয়াডাঙ্গা থেকে ছেড়ে আসা একটি সাদা রঙের নোহা মাইক্রোবাস ফেরিতে উঠার জন্য বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরি ঘাটের পন্টুনের উপর অবস্থান নেয়। এ সময় ঝড়ো বাতাসে পন্টুনের তার ছিঁড়ে গেলে চালকসহ মাইক্রোবাসটি নদীতে পড়ে ডুবে যায়। রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও পাটুরিয়ার ডুবুরি দল টানা দুই ঘণ্টা উদ্ধার তৎপরতা শেষে বেলা দেড়টার দিকে মাইক্রোবাসটিকে উদ্ধার করে। তবে চালক মারুফ হোসেন নিখোঁজ থাকেন।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার সকালে দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাটের নিচের দিকে পদ্মা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা তাদের খবর দেন। পরে তারা ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করে পদ্মায় ডুবে যাওয়া মাইক্রোবাস চালক মারুফ হোসেনের মরদেহ বলে নিশ্চিত হন। মরদেহটি মারুফ হোসেনের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।