Sylhet Today 24 PRINT

‘ইয়াস’র প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারে সুন্দরবনে বন্যপ্রাণীর মৃত্যু

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ২৭ মে, ২০২১

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারের পানিতে ডুবে সুন্দরবনে বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার বিকেলে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের বলেশ্বর নদের বগী, দুবলার চর এবং কচিখালী এলাকায় ভাসমান অবস্থায় তিনটি মৃত হরিণ দেখতে পায় বনবিভাগ। পরে হরিণ তিনটির মরদেহ উদ্ধার করে মাটি চাপা দেয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবের জোয়ারের পানিতে বনবিভাগে মিষ্টি পানির আঁধার নয়টি পুকুর তলিয়ে গেছে। বন বিভাগের কর্মী ও বনের প্রাণিকুল এসব পুকুরের মিষ্টি পানি পান করে থাকে।

এ ছাড়া পানির চাপে ১৯টি জেটি, ১০টি অফিস স্টাফ ব্যারাক, ৬টি নৌযান, দুটি গোলঘর, একটি ওয়াচ টাওয়ার এবং বনের মধ্যে হাঁটাচলা করার ২৪টি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ অন্তত ৬০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন সকালে এই প্রতিবেদককে বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে গত কয়েকদিন ধরে সুন্দরবনের বিভিন্ন নদীখালে পানির উচ্চতা বাড়তে থাকে। সর্বশেষ মঙ্গল ও বুধবার দফায় দফায় আসা জোয়ারে পানিতে সুন্দরবনের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে চার থেকে ছয় ফুট পর্যন্ত পানি বৃদ্ধি পায়। হরিণের বড় বিচরণ ক্ষেত্র শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চর, কটকা, কচিখালী ও কোকিলমনি এলাকা।

এসব এলাকা একেবারে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবের জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায়। এই জোয়ারের পানির তোড়ে কিছু হরিণ ভেসে যায়। এর মধ্যে তিনটি হরিণ জোয়ারের পানিতে ডুবে মারা গেছে। মারা যাওয়া হরিণ তিনটি জোয়ারের পানিতে সুন্দরবন সংলগ্ন নদীখালে ভেসে থাকার খবর পেয়ে বনকর্মীরা তা উদ্ধার করে মাটি চাপা দিয়েছে।

তিনি বলেন, জোয়ারের পানিতে ডুবে বনের আরও কোন প্রাণিকুলের মৃত্যু হয়েছে কিনা তা এখনো বলা যাচ্ছে না। সুন্দরবনের যেসব এলাকায় জোয়ারের পানি উঠে প্লাবিত হয়েছিল সেসব এলাকা পর্যবেক্ষণ করছে বন বিভাগের কর্মীরা।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.