এই কমিটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আগাম তথ্য সংগ্রহ করবে এবং সে অনুযায়ী পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেবে বলে সরকারের এক আদেশে বলা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ শাখা রোববার এই আদেশ জারি করে; সোমবার তা প্রকাশ করা হয়।
গত ৫ জানুয়ারি থেকে বিএনপি জোটের লাগাতার অবরোধের মধ্যে দেশব্যাপী নাশকতার প্রেক্ষাপটে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুরের বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে এই কমিটি করা হল।
মহানগর পুলিশের কমিশনার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) আঞ্চলিক কমান্ডার, উপ-মহা পুলিশ পরিদর্শক, সেনা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই এর বিভাগীয় অফিস প্রধানকেও এ কমিটির সদস্য করা হয়েছে।
র্যাব অধিনায়ক, কোস্ট গার্ডের জেনারেল কমান্ডার (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) বিভাগীয় অফিস প্রধান, আনসার ও ভিডিপির পরিচালক এবং হাইওয়ে পুলিশ সুপারকেও কমিটিতে রাখা হয়েছে।
এছাড়া কমিটি প্রয়োজনে যে কাউকে সদস্য হিসাবে গ্রহণ করতে পারবে। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারকে (সার্বিক) দেওয়া হয়েছে কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব।
বিএনপি জোটের এই হরতাল-অবরোধে প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটছে, যা কঠোর হাতে দমন করার জন্য ইতোমধ্যে পুলিশ বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নাশকতাকারী ও বোমাবাজদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য সরকার, পুলিশ ও র্যাবের পক্ষ থেকে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। মহাসড়কে যাত্রী ও পণ্যবাহী যান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে পুলিশের পাশাপাশি নামানো হয়েছে বিজিবি ও আনসার।
সরকারের আদেশে বলা হয়েছে, এই কমিটি ‘জেলা কোর কমিটি’, ‘জেলা সন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটি’ এবং ‘নাশকতা প্রতিরোধ কমিটি’কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেবে।
“জরুরি প্রয়োজনে বিভাগের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও এ সংক্রান্ত কার্যাবলী সমন্বয়ের কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।”
কমিটি তাদের কাজের প্রতিবেদন দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকেও অবহিত করবে।