Sylhet Today 24 PRINT

মোবাইলে নেওয়া যাবে ৫০ হাজার পর্যন্ত ঋণ

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ০৩ জুন, ২০২২

বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ন্যূনতম ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা ছয় মাসের জন্য ঋণ নেওয়ার ব্যবস্থা চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

‘ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ’ নামের এই ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশ। এই ব্যবস্থায় ঋণ দেওয়া হবে মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্টের মাধ্যমে। এর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক পুনঃঅর্থায়নে ১০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছে। এই ক্ষুদ্র ঋণ দিতে যে কেনো ব্যাংক এ তহবিল থেকে ঋণ নিতে পারবে।

বৃহস্পতিবার ‘ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ’র নির্দেশনা সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

‘ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ’র সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, “ডিজিটাল মাধ্যম (ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ই-ওয়ালেট ইত্যাদি) ব্যবহার করে তফসিলি ব্যাংক হতে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান।”

সার্কুলারে বলা হয়েছে, সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গঠনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণের সহজলভ্যতা, ব্যাংকগুলোকে উৎসাহ প্রদান ও ব্যাংকের তহবিল ব্যয় হ্রাস করে স্বল্পসুদ বা মুনাফায় ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ দিতে ১০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে।

তহবিলের নাম ‘ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ’। এ তহবিল থেকে ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপস, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ই-ওয়ালেট ইত্যাদি ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে তফসিলি ব্যাংক থেকে ক্ষুদ্র ঋণ দেয়া হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে গঠন করা এ তহবিলের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা। মেয়াদ হবে তিন বছর। প্রথম পর্যায়ে ৫০ কোটি টাকা দেয়া হবে। ঋণের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষে দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৫০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা দেয়া হবে।

ভবিষ্যতে চাহিদা বিবেচনায় এ পুনঃঅর্থায়নের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তফসিলি ব্যাংকগুলো এ তহবিল থেকে অর্থ নিতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা শিডিউল অফ চার্জেস-সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালায় বর্ণিত চার্জ বা ফি ছাড়া গ্রাহকের কাছ থেকে অন্য কোনো ধরনের চার্জ বা ফি আদায় করতে পারবে না ব্যাংক।

ব্যাংক এবং গ্রাহক উভয় পর্যায়ে ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ছয় মাস। গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণ করা ঋণ আদায়ের সব দায়-দায়িত্ব ঋণ বিতরণকারী ব্যাংক বহন করবে।

অংশ নেয়া ব্যাংকগুলো প্রতি তিন মাস পরপর বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদসহ আসল প্রদান করবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুদসহ পুনঃঅর্থায়িত অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের চলতি হিসাব বিকলন করে তা আদায় করা হবে।

গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণকৃত ঋণ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক আদায় করবে। গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ আদায়ের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পাওনাকে সম্পর্কিত করা যাবে না।

ঋণবিষয়ক যাবতীয় ঝুঁকি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বহন করবে। অর্থায়নকারী ব্যাংক এ তহবিলের আওতায় বিতরণকৃত ঋণের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করবে।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.