Sylhet Today 24 PRINT

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের নামকরণ হয় যেভাবে

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ২৫ অক্টোবর, ২০২২

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ বাংলাদেশের স্থলভাগে এসে নিম্নচাপে পরিণত হয়। এরপর এটি আরও উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতের আসামের দিকে চলে গেছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নতি হতে শুরু করেছে। দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের বৃষ্টি থেমে গেছে। বিভিন্ন স্থানে দু-দিন পর দেখা মিলেছে রোদের।

তবে অনেকেরই জানার আগ্রহ থাকে কেন এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হয়েছে ‘সিত্রাং’ বা কারা দিয়েছে এই নাম?

ভারত মহাসাগরের উত্তরাঞ্চলে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে একটি কমিটি রয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার অধীনে ওই কমিটিতে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ ১৩টি দেশ। ১৩ দেশের সংস্থার নাম এস্কেপ। সংস্থাটি ২০২০ সালেই ১৬৯টি ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করে রাখে। সেই তালিকা থেকে এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয় ‘সিত্রাং’। এই নামটি থাইল্যান্ডের দেওয়া। যার ভিয়েতনামি অর্থ ‘পাতা’। আবার ‘সিত্রাং’ থাইল্যান্ডের বাসিন্দাদের পদবিও।

সিত্রাংয়ের পরে যেই ঘূর্ণিঝড় আসবে সেটির নাম হবে ‘মন্দোস’। এই নামটি দিয়েছে সৌদি আরব। মন্দোসের পরের ঘূর্ণিঝড়ের নাম হবে ‘মোচা’। এই নামটি দিয়েছে ইয়েমেন।

তবে সব ঝড়ই কিন্তু নাম পায় না। সমুদ্রে সৃষ্ট কোনো ঝড়ের গতিবেগ যখন ঘণ্টায় ৩৯ মাইলের বেশি হয়, তখন সেটির নাম দেওয়া হয়। এ ছাড়া ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৭৪ মাইল ছাড়িয়ে গেলে সেটি হারিকেন, সাইক্লোন, বা টাইফুন হিসেবে ভাগ করা হয়।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.