সিলেটটুডে ডেস্ক | ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
আগামী মার্চ থেকেই ভারতের আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ আসা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
‘শেয়ার দরে কারচুপি’ নিয়ে শোরগোল ওঠার পর টালমাটাল হয়ে পড়া আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লার দাম বেশি বলে খবর বেরিয়েছে। এজন্য ছয় বছর আগে আদানি পাওয়ারের সঙ্গে করা চুক্তি পর্যালোচনায় বাংলাদেশের তরফে সম্প্রতি চিঠি দেওয়া হয়েছে।
এমন খবরের মধ্যে রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী ভারতীয় এ কোম্পানির বিদ্যুৎ আসা নিয়ে কথা বলেন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষামূলক সরবরাহ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
নসরুল হামিদ বলেন, আদানি গ্রুপের উৎপাদিত বিদ্যুৎ নিয়ে যেসব কথা হচ্ছে, তার ভিত্তি নেই। আগামী মার্চে ভারত থেকে আদানি গ্রুপের উৎপাদিত বিদ্যুৎ আসবে। প্রতিযোগিতামূলক বাজার দরেই এ বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। এ নিয়ে কোনো সংশয়ের সুযোগ নেই।
এদিকে পেছানোর কথা উঠলেও ফেব্রুয়ারি থেকেই শিল্প, বাণিজ্য ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্রাহকদের জন্য গ্যাসের নতুন দর কার্যকর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বিদ্যুতের সরবরাহ ঠিক রাখতে আদানি গ্রুপের কোম্পানি আদানি পাওয়ারের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনতে ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর চুক্তি করে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিভাগ। চুক্তির আওতায় আদানি ঝাড়খণ্ডে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে বাংলাদেশে সরবরাহ করবে। বাংলাদেশ লাগোয়া রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের পাশেই ঝাড়খণ্ড রাজ্য। সেখান থেকে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বগুড়ার সঞ্চালন লাইন হয়ে আসবে আদানির বিদ্যুৎ।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিনিয়োগ ফার্ম হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের এক প্রতিবেদনে এক দশক ধরে পুঁজিবাজারে শেয়ার নিয়ন্ত্রণ ও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগের তথ্য প্রকাশ করা হয় আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে। এরপর থেকে আদানি গ্রুপের শেয়ারের ক্রমাগত দরপতন হচ্ছে। শীর্ষ ধনীর তালিকাতেও অবনমন হয় গৌতম আদানির; গত কয়েকদিন ধরে কোম্পানিটি নিয়ে সরব আলোচনাও ডালপালা মেলেছে।