Sylhet Today 24 PRINT

মহাবিশ্বে সূর্যের চেয়েও বিশাল কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ০৪ এপ্রিল, ২০২৩

মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ধারণা অনুযায়ী, এই ব্ল্যাকহোলে ৩ হাজার কোটি সূর্যের জায়গা হবে। পৃথিবী থেকে মিলিয়ন মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে এই ব্ল্যাকহোল অবস্থিত। আকারে বিশাল বড় হওয়ার এটিকে ডাকা হচ্ছে ‘আলট্রা ম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল’ নামে।

স্পেস ডট কমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বিষয়ে ‘দ্য রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি’ গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, গ্রাভিট্যাশনাল লেন্সিং নামে নতুন একটি পদ্ধতি ব্যবহার করে এই কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কৃত হয়েছে। টেলিস্কোপ দিয়ে যতটুক পর্যন্ত দেখা যায়, তার চেয়েও বেশি দূরত্বের জিনিসের অবস্থান এই পদ্ধতিতে শনাক্ত করা সম্ভব।

গবেষণা দলটির প্রধান ড. জেমস নাইটিঙ্গেল বলেন, ‘ব্ল্যাকহোলটি এতই বড় যে এর আকার সঠিকভাবে বলা কঠিন। তবে রাতের আকাশে যত নক্ষত্র ও গ্রহ দেখা যায়, সবগুলোকে একসঙ্গে রাখলেও ব্ল্যাকহোলটির এক শতাংশও হবে না। এটি মহাবিশ্বের বেশির ভাগ গ্যালাক্সির চেয়েও আকারে বড়।’

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ব্ল্যাকহোলটি অনেক বড় হলেও সক্রিয় নয়। অর্থাৎ, এটি এখন কিছু গিলছে না। এ ছাড়া, অন্যান্য ব্ল্যাকহোলে শক্তিশালী এক্স-রে রেডিয়েশন থাকলেও নতুন আবিষ্কার হওয়া এই ব্ল্যাকহোলে সেই রেডিয়েশন শনাক্ত করা যায়নি।

কৃষ্ণগহ্বরের সৃষ্টি হয় বিশাল আকার ও ভরের নক্ষত্রের মৃত্যুর মাধ্যমে। জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে সেই নক্ষত্র মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবের নিজের মধ্যে সংকুচিত হয়ে ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হয়। ফলে কৃষ্ণগহ্বরের আয়তন অনেক কম কিন্তু ভর অত্যন্ত বেশি। এর ভর এত বেশি থাকে যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোনো কিছুকেই এর ভেতর থেকে বের হতে দেয় না। এমনকি আলোও কৃষ্ণগহ্বরের মহাকর্ষীয় বল উপেক্ষা করে বেরিয়ে আসতে পারে না। ফলে টেলিস্কোপ দিয়ে সরাসরি কৃষ্ণগহ্বর দেখা যায় না। আশপাশের বস্তুর ওপর এর প্রভাব নির্ণয় করে বিজ্ঞানীরা কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্ব বোঝেন।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.