Sylhet Today 24 PRINT

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদ উদযাপন

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ২৮ জুন, ২০২৩

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে আজ বুধবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করা হচ্ছে। বুধবার (২৮ জুন) সকালে এসব জেলার লাখো মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন।

আজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অন্তত ১১০টি গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপন করা হচ্ছে। এর মধ্যে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার অর্ধশত গ্রাম এবং বরিশাল মহানগর, বাবুগঞ্জসহ অন্তত ৫০টি ও ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ১০টি গ্রামে ঈদের সালাত আদায়সহ পশু কোরবানি করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বরিশাল বিভাগের ৭৩টি মসজিদে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভাগের অন্তত ২০ হাজার পরিবারের এক লাখ মানুষ আজ ঈদ উদযাপন করছেন বলে জানা গেছে। তারা চট্টগ্রামের চন্দনাইশ এলাহবাদ জাহাগীরিয়া শাহসুফি দরবার শরীফের অনুসারী। প্রায় শতাধিক বছর ধরে এভাবে ঈদ উদযাপন করে আসছেন তারা।

বুধবার সকাল সাড়ে আটটায় নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব হরিনাফুলিয়া চৌধুরীবাড়ি শাহ-মমতাজিয়া জামে মসজিদ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের তাজকাঠী হাড়িবাড়ি শাহসুফি জাহাগীরিয়া জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া বরিশালের বাবুগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় আগাম ঈদ পালন করেন ওই দরবার শরীফের অনুসারীর। পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে মিলিয়ে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাসহ যাবতীয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করেন তারা।

তাজকাঠী হাড়িবাড়ি শাহসুফি জাহাগীরিয়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মিঠু জানান, নগরীর সাতটি মসজিদ, বাবুগঞ্জের রাকুদিয়া, নলছিটির দপদপিয়া, পটুয়াখালীর বাউফল, বগা, ও রাঙ্গাবালী এবং বরগুনার ডাবুয়াসহ বিভাগের ৭৩টি মসজিদে বুধবার ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদ জামাত শেষে তারা মহান সৃষ্টিকর্তার নামে পশু কোরবানিসহ অন্য আনুষ্ঠানিকতা পালন করবেন। তিনি বলেন, বরিশাল বিভাগের অন্তত ২০ হাজার পরিবারের এক লাখ মানুষ আজ ঈদ উদযাপন করছেন।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে মৌলভীবাজারে পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঈদের জামাত শেষে একে অন্যের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও কোলাকুলি করেছেন মুসল্লিরা। বুধবার মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস এলাকায় আহমেদ শাবিস্থা নামক বাসার ছাদে এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এ ঈদের জামাতের ইমামতি করেন আবদুল মাওফিক চৌধুরী।

এতে শতাধিক মুসল্লি (নারী-পুরুষ) অংশ নেন। নামাজ শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

জানা গেছে, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে এ মৌলভীবাজারের সার্টিক হাউস এলাকায় এ জামাত হয়ে আসছে। ইমাম আবদুল মাওফিক চৌধুরী বলেন, প্রতিবছর সৌদির সঙ্গে মিল রেখেই ঈদুল আযহা পালন হচ্ছে।

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে শরীয়তপুরের ছয় উপজেলার ৪০টি গ্রামের সুরেশ্বর পিরের অনুসারীরা ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। বুধবার সকালে কয়েক হাজার মুসল্লি নিয়ে সুরেশ্বর দরবার শরীফ মাঠে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, শরীয়তপুরের ছয় উপজেলার ৪০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ ১৯২৮ সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রমজানের রোজা রাখা, ঈদ উদযাপনসহ বিভিন্ন উৎসব পালন করে আসছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় সুরেশ্বর দরবার শরীফে ঈদের জামাত শেষে সেমাই পোলাও খেয়ে কোরবানির মাধ্যমে ঈদুল আজহার আনুষ্ঠানিকতা পালন করেন তারা।

জানা যায়, সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬৯ দেশে মঙ্গলবার চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ ওইসব দেশে ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন মুসলমানরা। তাই তাদের সঙ্গে মিল রেখে শরীয়তপুরের শাহ সুরেশ্বরীর (রা.) অনুসারীরা ঈদ উদযাপন করছেন।

সুরেশ্বর পিরের বর্তমান গদীনিশীন মুতাওয়াল্লি সৈয়দ কামাল নুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল ঈদ উদযাপন করে আসছি। এর ধারাবাহিকতায় শরীয়তপুর জেলার ৪০টি গ্রামের অন্তত ১০ হাজার মুরিদ বুধবার আমাদের সঙ্গে ঈদ করছেন।

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ১৬টি গ্রামের দুই শতাধিক মুসল্লি সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় পৌরসভার বলারদিয়ার মধ্যপাড়া মাস্টারবাড়ি সংলগ্ন জামে মসজিদ মাঠে এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন বলারদিয়ার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আজিম উদ্দিন।

ইমাম আজিম উদ্দিন জানান, প্রতিবছরই মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে তারা ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করে থাকেন। পৌরসভার বলারদিয়ার, মূলবাড়ি, সাতপোয়া, সাঞ্চারপাড়, পঞ্চপীর, পাখাডুবি, বনগ্রাম, বালিয়া, বাউসি, হোসনাবাদ, পাটাবুগা, পুঠিয়ারপাড় ও বগারপাড় গ্রামের লোকজন এই নামাজে অংশগ্রহণ করেন। প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও প্রায় দুই শতাধিক মুসল্লি এই নামাজে অংশগ্রহণ করেছেন।

তিনি বলেন, এই নামাজ নিয়ে অনেকের মাঝে মতপার্থক্য থাকলেও কোরআন-হাদিসের সঠিক নির্দেশনা মোতাবেক সালাত আদায় করা হয়েছে এবং সঙ্গে কোরবানিও করা হবে।

এবারও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দিনাজপুর সদর উপজেলাসহ ছয়টি উপজেলায় ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিদের একটি অংশ। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় দিনাজপুর শহরের চারুবাবুর মোড়ের পার্টি সেন্টারে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন দিনাজপুর শহর ও আশপাশের কয়েকটি এলাকার মানুষ। এই জামায়াতে পুরুষ, নারী ও শিশুসহ ৩০০ শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। এই জামায়াতে ইমামতি করেন চিরিরবন্দর উপজেলার একটি মাদরাসার শিক্ষক ও উপজেলা সদরের বাসিন্দা মাওলানা আবু বকর বিন আব্দুল্লাহ।

এছাড়া জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার সাইতারা ইউনিয়নের রাবার ড্যাম, ফতেহজংপুর গ্রামে, কাহারোল উপজেলার জয়নন্দ গ্রামে, ১৩ মাইলে, বোচাগঞ্জ উপজেলার তেতরা গ্রামে, বিরল উপজেলার ভাড়াডাঙ্গী গ্রামে ও বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়রা বাজার জামে মসজিদে এবং জোতবানী ইউনিয়নের খয়েরবাড়ি মির্জাপুর জামে মসজিদে প্রায় ২০/২২টি গ্রামের তিন শতাধিক মানুষ ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন বলে জানা গেছে।

পার্টি সেন্টারে ঈদুল নামাজ আদায়কারী কয়েকজন মুসল্লি জানান, দিনাজপুরে প্রথমে শুধু চিরিরবন্দর উপজেলায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করা হতো। কিন্তু বর্তমানে সদর উপজেলাসহ আরও কয়েকটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আগাম ঈদের নামাজ আদায় করা হয়।

এক মুসল্লি বলেন, আমি প্রথমে আগাম ঈদের নামাজ পড়ার বিরোধিতা করেছি। পরে কুরআন ও হাদিস পড়ে যখন জানতে পারলাম যে, এটিই সঠিক তখন থেকে আমি এই নামাজের জামাতে শরিক হয়েছি।

দিনাজপুর জেলায় ২০০৭ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছেন মুসল্লিদের একটি অংশ। প্রথমে মুসল্লির সংখ্যা কম থাকলেও বর্তমানে ২০২৩ সালে এসে তা বেড়ে প্রায় ৩০০ জনে পৌঁছেছে।

বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে চাঁদপুরের বিভিন্ন স্থানে আজ ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। সকাল সাড়ে ৮টায় হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফের ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাতের ইমামতি করেন পির আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।

সাদ্রা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইছহাক চৌধুরীর অনুসারীরা চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে গেছেন। বুধবার জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, শাহরাস্তি ও মতলব উপজেলার ৪০টি গ্রামে তার অনুসারীরা ঈদ উদযাপন করছেন।

সাদ্রা দরবার শরীফের পির আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী বলেন, কোনো দেশের সঙ্গে মিল রেখে নয়, পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ধর্মীয় রীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইসহাক চৌধুরী (রা.) ১৯২৬ সালে যখন কলকাতা আলীয়ায় পড়াশোনা করতেন তখন তিনি বিষয়টি উদঘাটন করেন। কোরআন সুন্নাহর আলোকে শরীয়তের বিধান হচ্ছে সারা পৃথিবীর জন্য একটি চাঁদ। সেই চাঁদ দিয়ে দিন তারিখ-নির্ধারণ হবে। সেই চাঁদের ভিত্তিতে ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করবে মুসলমানরা। হাদিসে কোনো দেশের কথা উল্লেখ নেই। হাদিসে বলা হয়েছে, চাঁদ দেখা গেলে ঈদ করো চাঁদ দেখা গেলে রোজা রাখ। কথাটি কারও জন্য বা কোনো দেশের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়নি।

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার একটি গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। বুধবার সকাল ৮টায় উপজেলার পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের কলাদিয়া উত্তরপাড়া আবু বক্কর সিদ্দিক (রা.) জামে মসজিদে এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা আব্দুল্লাহ মাসুম।

তিনি জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে তারা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন। কলাদিয়া গ্রামের লোকজন এই নামাজে অংশগ্রহণ করেন। প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও প্রায় অর্ধশতাধিক মুসল্লি এই নামাজে অংশগ্রহণ করেছেন।

মাওলানা আব্দুল্লাহ মাসুম বলেন, এই নামাজ নিয়ে অনেকের মাঝে মতপার্থক্য থাকলেও কোরআন-হাদিসের সঠিক নির্দেশনা মোতাবেক ঈদের নামাজ আদায় এবং সঙ্গে কোরবানিও করা হয়।

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ঈদুল-আজহা উদযাপিত হচ্ছে। বুধবার সকালে উপজেলার শশীনাড়া গ্রামের ৫০টি পরিবার ঈদ পালন করেন।

ঈদ জামাতের ইমাম আব্দুর রহমান জানান, সকাল ৮টায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। তিনি ঈদের নামাজ পড়ান। নামাজ শেষে বিশ্বের মুসলিম উম্মার জন্য দোয়া করা হয়। সৌদি আরবের সঙ্গে একইদিনে ঈদ উদযাপন করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন মুসল্লিরা।

এ বিষয়ে লাউহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন মোহাম্মদ খান জানান, শশীনাড়া একটি ছোট গ্রাম। ওই গ্রামে পাঁচ শতাধিক মানুষের বসবাস। এই গ্রামের একটি সমাজের শতাধিক মানুষ সৌদির সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ উদযাপন করেন। আমি শুনেছি ১০-১২ বছর ধরে ওই গ্রামের ৫০-৬০ পরিবার ঈদ উদযাপন করে আসছে।

২০১২ সাল থেকে ওই গ্রামের মানুষ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন করে আসছেন।

সৌদিআরবের সঙ্গে মিল রেখে বাগেরহাটের মোংলায় ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টায় উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের ‘চটেরহাট আহলে হাদিস জামে মসজিদে’ ঈদুল আজহার নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

ঈদের নামাজ পড়ান মসজিদের ঈমাম মো. বেল্লাল সরদার। এখানে ঈদের নামাজ আদায় করেন মোংলাসহ পাশের শরণখোলা ও মোড়েলগঞ্জ উপজেলা থেকে আসা মুসল্লিরা। নামাজ শেষে মুসাফা ও কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মুসল্লিরা। এরপর আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ের লক্ষ্যে যে যার মতো করে পশু কোরবানি করেন।

চটেরহাট আহলে হাদিস জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য এম নুরুল আমিন বলেন, আমাদের এলাকার এ মসজিদটিতে প্রায় ১৫/১৬ বছর ধরে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন হয়ে আসছে। আজও সৌদির সঙ্গে মিল রেখে আমরা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছি এবং পশু কোরবানি করছি। দিনকে দিন আমাদের এ উৎসবের সঙ্গে তাল মেলাতে লোকজনের সাড়া বাড়ছে।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.