Sylhet Today 24 PRINT

কিউইদের বিদায় করে ফাইনালে ভারত

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ১৫ নভেম্বর, ২০২৩

বিপরীতমুখী দুই প্রশ্নের একই উত্তর কি হয়?  ‘ভারতের প্রতিশোধের সুযোগ’ এবং ‘ভারতের সামনে আন্ডারডগ নিউজিল্যান্ড’। দুই প্রশ্নেই ‘এসব সংবাদ মাধ্যমের শব্দ’ এমন উত্তর দিয়েছে কিউইরা। প্রশ্ন কিংবা উত্তর যা-ই হোক ফলাফলে প্রতিশোধ ও আন্ডারডগ দুটিরই প্রতিফলন দেখিয়েছে ভারত। বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে কেন উইলিয়ামসনের দলকে ৭০ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে রোহিত শর্মার দল। ২০১৯ বিশ্বকাপে ব্ল্যাক ক্যাপসদের কাছে সেমিতে হারার প্রতিশোধ নিয়েছে।

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের উইকেট তো বটেই ঘাস পর্যন্ত চেনা রোহিত শর্মাদের। মুম্বাইয়ের বিরাট-রোহিত-বুমরাহরা অনেক আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। রোহিত-বুমরাহ-সূর্যকুমারের আবার আইপিএলের ঘরের মাঠ। চেনা মাঠে তাই ঝুঁকি নিয়ে নতুন উইকেটে খেলতে চায়নি ভারত। বিতর্ক হবে জেনেও কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের জোরাজুরিতে শেষ মুহূর্তে পুরনো পিচ বেছে নেয় বিসিসিআই।

মুখস্ত মাঠে টস জিতে ব্যাটিং নিতে ভুল করেননি অধিনায়ক রোহিত। ব্যাটিং কীভাবে করতে হবে তাও তো জানা তার। সেভাবেই শুরু করে ২৯ বলে ৪৭ রানের ঝড় দেখিয়ে ফিরে যান। চারটি করে চার ও ছক্কা মারেন। শুভমন গিলকে নিয়ে ৮.২ ওভারে দলকে এনে দেন ৭১ রান।  ওই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে গিল-কোহলি-আয়ার দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলকে ৪ উইকেটে ৩৯৭ রানের বিশাল সংগ্রহ এনে দেন।

সেঞ্চুরির আশা দেওয়া গিল ৭৯ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরে যান। শেষ দিকে ক্রিজে এসে মাত্র ১ রান যোগ করে অপরাজিত থাকেন। তবে কোহলি ও আয়ার সেঞ্চুরি করতে ভুল করেননি। কিং কোহলি ১১৩ বলে নয়টি চার ও দুই ছক্কায় খেলেন ১১৭ রানের ইনিংস। ওয়ানডে ক্রিকেটের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৫০টি সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন। এছাড়া বিশ্বকাপের এক আসরে শচীনকে ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ রানও করেন। আয়ারের ব্যাট থেকে আসে ৭০ বলে ১০৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। তিনি আটটি চার ও চারটি ছক্কার শট তোলেন।  

জবাব দিতে নেমে ৩৯ রানে ২ উইকেট হারালেও কেন উইলিয়ামসন ও ডার্লি মিশেলের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়িয়ে চোখ রাঙাতে থাকে নিউজিল্যান্ড। কেন ও ডার্লি ১৮১ রানের জুটি গড়েন। তুলে খেলতে গিয়ে কিউই অধিনায়ক ৭৩ বলে ৬৯ রান করে আউট হন। দলের রান তখন ৩২.২ ওভারে ২২০। সেখান থেকে মিশেল ১১৯ বলে ১৩৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন। তার ব্যাট থেকে নয়টি চার ও সাতটি ছক্কা আসে। তবে গ্লেন ফিলিপস ছাড়া পরের ব্যাটাররা আশাও দিতে পারেননি। ফিলিপস থামেন ৩৩ বলে ৪১ রানে। ব্ল্যাক ক্যাপসরা ৭ বল থাকতে ৩২৭ রানে অলআউট হয়।

২০১৫ ও ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা নিউজিল্যান্ডের এবারের যাত্রা তাই শেষ চারে থামল। ১৯৮৩ ও ২০১১ আসরের চ্যাম্পিয়ন ভারত পা রাখল ফাইনালে। দলকে শিরোপার লড়াইয়ে তুলতে ভারতীয় পেসার মোহাম্মদ শামি দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। তিনি ৯.৫ ওভারে ৫৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ক্যারিয়ার সেরা ৭ উইকেট। চলতি আসরে এটি তার তৃতীয়বার ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি। এছাড়া বুমরাহ ও কুলদীপ যাদব একটি করে উইকেট নেন।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.