সিলেটটটুডে ডেস্ক | ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে আগামী মঙ্গলবার। শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা এ তথ্য দেন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথের জন্য প্রস্তুতিও শুরু করেছে সংসদ সচিবালয়।
একই দিনে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে বলে আরেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। সেজন্যও প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
ভোটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিএনপি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দশক পর আবার সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি।
বৃহ্স্পতিবার ২৯৯ আসনে সংসদ নির্বাচন হয়। এতে ২৯৭ আসনের ফল ঘোষণা করা হয়। বিএনপি ২০৯ আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে তাদের এক সময়কার মিত্র জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসন পেয়ে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ শুক্রবার রাতে নির্বাচিত ২৯৭ জনের গেজেট প্রকাশ করেছেন।
তবে আগের সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রকাশ্যে না থাকায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কে শপথ পড়াবেন তা নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে।
এ আলোচনার মধ্যে শনিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিপরিষদের শপথ পড়াবেন।
এদিন দুপুরে সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার না থাকলে ‘প্রধান বিচারপতি’ বা প্রধান নির্বাচন কমিশনারও সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাতে পারবেন।
২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব নেন শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি মামলার আসামি হয়ে বর্তমানে প্রকাশ্যে নেই।
তার সঙ্গে ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব নেন শামসুল হক টুকু। তিনি মামলার আসামি হয়ে এখন কারাগারে। ফলে নতুন সংসদ সদস্যদের কে শপথ পড়াবেন, তা নিয়ে এক ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “গেজেট নোটিফিকেশন হয়ে গেছে। আইন অনুযায়ী তিন দিন সময়ের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হয়। সংসদ সদস্য হিসেবে, সেটি এই তিন দিন সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে ১৭ তারিখের মধ্যে শপথ গ্রহণ হবে।”
শপথের পরের প্রক্রিয়া তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন। যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতিকে জানাবেন যে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের নেতা।