সিলেটটুডে ডেস্ক | ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। জামায়াতের আমিরের সঙ্গে ছিলেন তার দলের নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম। আজহারুল মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ছিলেন। পরে সরকার পরিবর্তনের পর তিনি উচ্চ আদালত থেকে আপিলে মুক্তি পেয়েছেন।
শহিদ মিনারে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত হলেও পরবর্তীতে মুক্তিপ্রাপ্ত আজহারুল ইসলাম উপস্থিত হলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ফেরার পথে একদল যুবক তাদেরকে উদ্দেশ করে ‘রাজাকার, রাজাকার’, ‘একাত্তরের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘একাত্তরের রাজাকার এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় সেখানে উপস্থিত জামায়াতের নেতা-কর্মীরাও পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন। জামায়াত কর্মীরা ‘ভাষা সৈনিক গোলাম আযম, লও লও লও সালাম’ স্লোগান দিলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এরআগে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ২২ মিনিটে ডা. শফিকুর রহমান শহিদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
শফিকুর রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিরোধীদলীয় হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং ১১ দলীয় জামায়াত জোটের শীর্ষ নেতারা।
হট্টগোল শুরু হলে এনসিপির নেতারা দ্রুত আমিরের গাড়ির কাছে ফিরে আসেন। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত এগিয়ে আসেন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। পরে ডা. শফিকুর রহমান ও জোটের নেতারা শহিদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন।