Sylhet Today 24 PRINT

সংসদে জামায়াত-এনসিপির হট্টগোলের সময়ে রাষ্ট্রপতির মুখে ‘তাচ্ছিল্যের হাসি’

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ১৩ মার্চ, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রীতি অনুযায়ী ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির সদস্যরা এ সময় হট্টগোল জুড়ে দেন। তারা স্লোগান দেন, প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রতিবাদ করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে হাসতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই রাষ্ট্রপতির এ হাসিকে ‘তাচ্ছিল্যের হাসি’ বলেও মন্তব্য করেছেন।

ধারণা করা হচ্ছিল, রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেওয়ার সময় জামায়াত জোটের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন থেকে ওয়াক-আউট করবেন। বিষয়টি নিশ্চয় রাষ্ট্রপতিরও অজানা ছিল না। রাষ্ট্রপতি যখন অধিবেশন কক্ষে স্পিকারের পাশে তার জন্য নির্ধারিত চেয়ারে বসলেন, তখনই বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে সংসদে তার ভাষণের বিরোধিতা শুরু করেন। অল্পক্ষণেই এই বিরোধিতা হট্টগোলের পর্যায়ে গড়ায়।

জাতীয় সংগীত বাজানো শুরু হলে নিয়ম অনুযায়ী সবার দাঁড়ানোর কথা থাকলেও জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির বেশিরভাগ সদস্য সে সময়ও দাঁড়াননি।

এক পর্যায়ে হট্টগোল বন্ধ হয়। তবে জাতীয় সংগীত শেষে আবারও হট্টগোল শুরু করেন জামায়াত জোটের সংসদ সদস্যরা।

জামায়াত জোটের সদস্যদের হট্টগোলের সময়ে মুচকি হাসি হাসছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিরোধিতা শুরু থেকে করে আসছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই বলছিলেন, নাহিদ ইসলাম উপদেষ্টার শপথ রাষ্ট্রপতির কাছেই নিয়েছিলেন।

জামায়াত জোটের সংসদ সদস্যরা হট্টগোলের এক পর্যায়ে সরকারি দলের চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে ভাষণ শুরু করার অনুরোধ জানালে রাষ্ট্রপতি হট্টগোলের মধ্যেই সাবলীলভাবে ভাষণ শুরু করেন।

ভাষণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যে জামায়াত জোটের সংসদ সদস্যরা কক্ষ ত্যাগ করার সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের দুই শতাধিক সংসদ সদস্য টেবিল চাপড়ে রাষ্ট্রপতির ভাষণকে স্বাগত জানান।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.