সিলেটটুডে ডেস্ক | ২৬ মার্চ, ২০২৬
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে জামায়াতে ইসলামী। এ সময় জাতীয় স্মৃতিসৌধকে সামনে রেখে তারা মোনাজাতও করে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৬টার দিকে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করে জামায়াতে ইসলামী।
সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এতে নেতৃত্ব দেন।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি ‘রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে’ সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন— জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, জামায়াত সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে দলীয় সিদ্ধান্তে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে, এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক গণহত্যার সহযোগীর ভূমিকা পালন করে। আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতায় থাকাকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ে জামায়াত নেতা গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদ, মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, আব্দুল কাদের মোল্লা, মীর কাসেম আলী, দেলাওয়ার হুসেইন সাঈদীসহ আরও অনেক যুদ্ধাপরাধীর দণ্ড কার্যকর হয়। ট্রাইব্যুনালে জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের রায় হলেও চব্বিশের আগস্টের সরকার পরিবর্তনের পর সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ তাকে খালাস দেন।
সংসদে বিরোধীদল হওয়ার পর এ বছরের একুশে ফেব্রুয়ারিতেও প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুল দেয় জামায়াতে ইসলামী।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে জামায়াতে ইসলামীর ফুল দেওয়ার আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একাত্তরের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।