বিবিসি বাংলা | ২৩ জুন, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান একটি সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে যান। সেখানে তাকে ইমিগ্রেশনের বাধার মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় দিল্লি বিমানবন্দরে বসে থাকার পর শেষ পর্যন্ত সোমবার দুপুর নাগাদ ঢাকায় ফিরে যান।
এই ঘটনায় বিতর্ক তৈরি হয়। অবশেষে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টিতে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করেছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল জানান, জাহেদ উর রহমান তার ব্যক্তিগত বেসরকারি (প্রাইভেট) পাসপোর্ট নিয়ে দিল্লিতে এসেছিলেন। তার সার্ক ভিসা ছিল।
ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায় তিনি একটি সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছেন এবং তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।
যদিও তিনি বৈঠকে যোগ না দিয়ে ঢাকা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
গত ১৪ জুন একটি সম্মেলনে যোগ দিতে রোববার দিল্লিতে গেলেও ইমিগ্রেশনের বাধার মুখে পড়েন জাহেদ উর রহমান।
তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিষয় উপদেষ্টা এবং তার পদমর্যাদা প্রতিমন্ত্রীর সমান।
দিল্লি বিমানবন্দরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তাকে বসে থাকতে হয়। যদিও বাংলাদেশ হাইকমিশনসহ নানা পক্ষের তৎপরতায় তাকে শেষ পর্যন্ত দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তবে পর শেষ পর্যন্ত ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।
পরে ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনারকে ডেকে ঢাকার প্রতিবাদপত্র তার হাতে তুলে দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।