নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ ও ডেঙ্গুতে মোট ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে হাম উপসর্গে ১১ শিশু ও ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্তের সংখ্যা ১১৩ এবং উপসর্গ দেখা গেছে এক হাজার ১৫৭ শিশুর শরীরে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল এক হাজার ৭৬ জনে। এদের মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০১ ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ১৫৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৮৩ হাজার ৪৪৯ জনে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২০ হাজার ৮৫১ জনে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক লাখ ৬২ হাজার ৪৮ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এক লাখ ৫৫ হাজার ৬১২ জন।
এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে এক হাজার ৮৬৪ জন গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৬৭ হাজার ৩৬৭ জন।
প্রতিবেদনে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগে দুজন করে এবং বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছে।
অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৬২ হাজার ১১৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছে এক হাজার ৫৫৭ জন।
চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই এ বছরে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গুতে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের এই ২৩ দিনে ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের মাসে অর্থাৎ আগস্টে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ছিল ৪৩ জনের। এ ছাড়া জুলাই মাসে ৩৬, জুনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এদিকে মে মাসে একজন, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দুজন করে মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।