Sylhet Today 24 PRINT

‘পুরোহিত হত্যায় আইএসের দায় স্বীকার ভিত্তিহীন’

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে পুরোহিত হত্যায় আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর দায় স্বীকারের বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন পুলিশের নবগঠিত কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সন্তগৌড়ীয় মঠের অধ্যক্ষ মহারাজ যগেশ্বর রায়কে (৫০) রোববার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে গলা কেটে হত্যা করে তিন দুর্বৃত্ত। এ ঘটনায় রোববার রাতভর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করে পুলিশ।

এ হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব আইএস স্বীকার করেছে বলে জানায় সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ। জঙ্গি তৎপরতা পর্যবেক্ষণকারী যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থাটির ওয়েবসাইটে রোববার রাতে দায় স্বীকারের এই বার্তা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল বলেন, পঞ্চগড়ে পুরোহিত হত্যায় আইএসের দায় স্বীকারের বিষয়টি ভিত্তিহীন।'

আইএসের দায় স্বীকারের বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে এর ভিন্নতা পায় বলে জানান ডিএমপির এই অতিরিক্ত কমিশনার।

পুরোহিত হত্যার ঘটনায় দেবীগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। নিহত পুরোহিত যগেশ্বর রায়ের বড় ভাই রবীন্দ্রনাথ একটি হত্যা মামলা করেন। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে অপর মামলাটি করেছে পুলিশ।

রোববার সকাল ৭টায় মঠসংলগ্ন বাড়িতে পূজার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন পুরোহিত যগেশ্বর রায়। এ ছাড়া মঠে পূজারি গোপাল চন্দ্র এবং সেবায়েত নির্মল চন্দ্র পূজার আয়োজন করছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে ৩ দুর্বৃত্ত আসে। তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র,ধারালো অস্ত্র ও বোমা ছিল।

একজন সরাসরি পুরোহিতের কাছে গিয়ে তাকে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে চাপাতি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। এ সময় গোপাল চন্দ্র রায় ও নির্মল চন্দ্রের ওপর আক্রমণ করে তারা। গোপাল চন্দ্রকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। তার হাতে গুলি বিদ্ধ হয়। এ ছাড়া নির্মল চন্দ্রকে লক্ষ্য করে দুটি হাতবোমা ছুড়ে মারে দুষ্কৃতকারীরা। একটি হাতবোমা বিস্ফোরিতে হয়।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.