Sylhet Today 24 PRINT

নিমতলী ট্র্যাজেডির সেই দিন আজ

২০১০ সালের ৩ জুন রাতে নবাব কাটরার নিমতলীর ৪৩ নম্বর বাড়ির নিচে থাকা রাসায়নিকের গুদাম থেকে সৃষ্ট আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যান নারী ও শিশুসহ ১২৭ জন

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ০৩ জুন, ২০১৬

আজ পুরান ঢাকার নিমতলীতে সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের দিন। ২০১০ সালের ৩ জুন রাতে নবাব কাটরার নিমতলীর ৪৩ নম্বর বাড়ির নিচে থাকা রাসায়নিকের গুদাম থেকে সৃষ্ট আগুনে নারী ও শিশুসহ ১২৭ জন মানুষ অঙ্গার হয়ে মারা যান। দগ্ধ হন দুই শতাধিক বাসিন্দা।

নিমতলীর সেই ট্র্যাজেডির ছয় বছর পার হচ্ছে আজ শুক্রবার। টানা ছয় বছরে নিমতলীর মানুষের শরীরের পোড়া ক্ষত শুকালেও মনের ক্ষতটা এখনও দগদগে। কারণ এখনও বাসযোগ্য হয়নি পুরান ঢাকা।  ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিকরা বলছেন, বড় ট্র্যাজেডির পর পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিকের গুদাম আর দোকান সরাতে সরকারের পক্ষ থেকে তোড়জোড় শুরু হয়েছিল। ছয় বছরে এর সবকিছুই থেমে গেছে।

বাসিন্দারা জানান, বাড়ির মালিকরা বেশি ভাড়া পাওয়ার লোভে বাড়িতে এসব গুদাম গড়তে দিচ্ছেন।

ট্র্যাজেডিতে দগ্ধ মামুন মিয়া জানান, আগুনে তার শিশু সন্তানকে কেড়ে নিয়েছে। এরপরও পুরান ঢাকা বাসযোগ্য হয়নি।

ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি বাড়ির মালিকরা জানান, বাড়ির মালিক আর স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্যোগ না নিলে রাসায়নিকের গুদাম বা দোকান সরানো সম্ভব নয়।  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে পরিচয়ে বসবাসকারী আসমা আক্তার শান্তা জানান, তার অপর দুই বোন রত্না ও রুনাসহ তারা সবাই ভালো আছেন। পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় থাকলেও তাদের সঙ্গে মা প্রধানমন্ত্রীর যোগাযোগ হয়। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে বছরে একবার তাদের খোঁজ নেয়া হয়। ইফতারসহ নানা অনুষ্ঠানে তাদের নিমন্ত্রণ করা হয়। 

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.