নিউজ ডেস্ক | ০৫ জানুয়ারী, ২০১৫
নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এবং খালেদা জিয়ার গুলশানের কার্যালয়ে তালা মারার প্রতিবাদে দেশবাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং নিজের কার্যালয়ে দলীয় চেয়ারপারসন কার্যত অবরুদ্ধ থাকার মধ্যে সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি সমর্থিত পেশাজীবীদের এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে আসেন তিনি।
৫ জানুয়ারি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ও ধরপাকড়ের মধ্যে কয়েকদিন পর প্রকাশ্যে এসে ফখরুল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা উদ্ধৃত করে বলেন, “লাথি মার ভাঙরে তালা, যত সব বন্দিশালায় আগুন জ্বালা।”
সমাবেশের পর ফখরুল, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানসহ কয়েকজন জাতীয় প্রেসক্লাবের ফটক দিয়ে বেরিয়ে আসতে চাইলে বাইরে অবস্থানরত সরকার সমর্থকরা ‘জয় বাংলা’ ও ‘জ্বালো জ্বালো আগুন জ্বালো’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। তখন ফখরুলসহ বিরোধী নেতারা আবার প্রেসক্লাবের ভেতরে ঢুকে পড়েন।
বিএনপির কর্মসূচির দিন সারা ঢাকায় রাজপথে সরকার সমর্থকরা রাজপথে অবস্থান নিয়ে আছে। প্রেসক্লাবের বাইরে যুবলীগ অবস্থান নিয়ে আছে। ভেতরে বিএনপি সমর্থকরাও রয়েছে।
ভেতরে থাকা বিএনপি সমর্থক এবং বাইরে থাকা আওয়ামী লীগ সমর্থক উভয় দলের পাল্টাপাল্টি স্লোগানে তোপখানা রোডে প্রেসক্লাব এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
ঢাকায় সভা-সমাবেশে পুলিশের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি সমর্থিত সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ, যার আহ্বায়ক সাংবাদিক নেতা রুহুল আমীন গাজী।
দশম সংসদের বছরপূর্তির দিন ৫ জানুয়ারি বিএনপি সমাবেশ ও কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি দিয়েছিল। কিন্তু একই দিন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলও ঢাকায় সমাবেশ ডাকলে সব ধরনের সমাবেশ বন্ধ করে দেয় পুলিশ।