নিউজ ডেস্ক | ২৬ মার্চ, ২০১৫
আবারও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের সঙ্গে সম্পর্কিত কোন দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যাননি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। একুশ ফেব্রুয়ারিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে না যাওয়ার পর স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধেও যাননি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
তবে তার পক্ষে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান ও আবদুল মঈন খানসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা শ’খানেক কর্মীকে নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় সাভারে শহীদবেদীতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময়ে তারা কিছুসময় বেদীর সামনে নীরবে দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গ করা বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
আগাম নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গত ৩ জানুয়ারি থেকে নিজের গুলশানের কার্যালয়ে অবস্থান করছেন। গত আড়াই মাসের বেশি সময় তিনি সেখান থেকে বের হননি। বিএনপি স্পষ্ট না বললেও আইনজীবীদের কথায় স্পষ্ট যে, খালেদা একবার কার্যালয় থেকে বের হলে তাকে আর সেখানে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই খালেদার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো মালয়েশিয়ায় মারা যান। তার লাশ দেশে আনার পর ওই কার্যালয় থেকেই ছেলেকে শেষ বিদায় জানান বিএনপিনেত্রী।
লাগাতার অবরোধ ডেকে নিজের কার্যালয়ে থাকা খালেদা বিভিন্ন মামলার শুনানিতেও অনুপস্থিত থাকছেন। এ কারণে জিয়া ট্রাস্টের দুই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে।
গত ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষাশহীদ দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে না যাওয়ায় সমালোচনায় পড়তে হয় খালেদা জিয়াকে। খালেদার ওই কার্যালয়ে অবস্থান করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতারা প্রশ্ন তুলে আসছেন।
প্রতিবার স্বাধীনতা দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দেওয়ার পর খালেদা জিয়া চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের কবরেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেও এবার তিনি সেখানেও যাননি।