নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
চট্টগ্রামের আলোচিত পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। তার পদত্যাগপত্র ও পদত্যাগপত্র প্রত্যাহারের দুই আবেদনের মধ্যে পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে।
স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার পর মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়া বাবুল ছুটিতে ছিলেন কিন্তু ২৪ জুন শ্বশুরের বাড়ি থেকেই তাকে পুলিশ সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে নানা গুজব ছড়িয়ে পড়ে। স্ত্রী হত্যায় তাকেই সন্দেহ করার খবর বের হয়। পরদিন পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বেরিয়ে এসব গুজব উড়িয়ে দেন বাবুল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও এসব গুজব উড়িয়ে দেন।
তবে বাবুল আর চাকরিতে ফিরছেন না এমন খবর বের হবার পর জানা যায় চাপের মুখে তিনি পুলিশের চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।
গত ২৪ আগস্ট চাপের মুখে পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহারের জন্যে করা আবেদনপত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। এর আগে তাঁর পদত্যাগপত্রটিও রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত ৫ জুন সকালে চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে গত ২৪ জুন গভীর রাতে খিলগাঁওয়ের ভূঁইয়াপাড়ার শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। ১৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর আবার তাঁকে শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। ওই জিজ্ঞাসাবাদের সময় পদত্যাগপত্রে সই করেন তিনি। এরপরে প্রায় দেড় মাস সেই পদত্যাগপত্র পুলিশ সদর দপ্তরে থাকার পর কিছুদিন আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।