সিলেটটুডে ডেস্ক | ০৩ অক্টোবর, ২০১৬
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক টিউশন ফি আদায় করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (৩ অক্টোবর) বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই রুল দেন।
গত ৩ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে ‘বৃত্তিপ্রাপ্তদের কাছ থেকেও টিউশন ফি আদায়!’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিষয়টি আজ (সোমবার) আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী মো. আমির হোসেন।
পরে শুনানি শেষে আদালত এ বিষয়ে ২ সপ্তাহের রুল দেন। শিক্ষাসচিব, অতিরিক্ত সচিব (টাস্কফোর্স), শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, ঢাকা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট থানা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আইনজীবী মো. আমির হোসেন বলেন, এ বছরের ২৪ মে শিক্ষা বোর্ডের জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সব মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ পাবে। পত্রিকার প্রতিবেদনে এসেছে, এই নির্দেশনা অনুসরণ না করে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মণিপুর উচ্চবিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পুরো মাসিক বেতন বা টিউশন ফি নিচ্ছে। এটি ওই নির্দেশনার পরিপন্থী।