Sylhet Today 24 PRINT

গুলশান হামলায় হাসনাত করিমের জড়িত থাকার ব্যাপারেও নিশ্চিত নয় পুলিশ

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ০৩ অক্টোবর, ২০১৬

গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার মামলায় গ্রেপ্তার থাকা  নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিম জড়িত কি না, এ ব্যাপারে এখনো  পুলিশ নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছেন ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। একদিন আগে আরেক সন্দেহভাজন তাহমিদ হাসিব খানকে ৫৪ ধারার অভিযোগ থেকে জামিন দেয় আদালত।

সোমবার (৩ অক্টোবর)  ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে প্রেস ব্রিফিংয়ে গুলশান হামলার মামলায় গ্রেপ্তার হাসনাত করিম সম্পর্কে মনিরুল ইসলাম বলেন, গুলশানে জঙ্গি হামলার ঘটনার পর আটক হাসনাত করিমকে বেশ কয়েক দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তার থেকে আরও তথ্য পেতে সর্বশেষ টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি এখনও হাতে পাইনি। ওই প্রতিবেদন পেলে তারপর আমাদের তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া জবানবন্দির সঙ্গে মিলিয়ে পরে বলা যাবে গুলশান হামলার সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত কিনা।

তিনি বলেন, তাঁকে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (টিআইএস) সমন্বিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সে প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি। ওই প্রতিবেদন ও গুলশান হামলা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া জবানবন্দি মিলিয়ে সিদ্ধান্তে আসা যাবে তিনি জড়িত কি না।


এ সময় মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে মনিরুল ইসলাম বলেন, গুলশান হামলার পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে কেউ কেউ ইতিমধ্যে অভিযানে নিহত হয়েছেন বা আত্মহত্যা করেছেন। পলাতক মারজান, জাহাঙ্গীর ওরফে রাজীব এবং চকলেট ওরফে বাশারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করতে পারলে এ ঘটনার পুরো রহস্য উন্মোচিত হবে। তিনি বলেন, আজিমপুরে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নিহত তানভীর কাদেরীর ছেলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এই জবানবন্দির মাধ্যমে গুলশান হামলা সম্পর্কে কিছু প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর আগে পুলিশের কাছে যেসব তথ্য ছিল, তা ছিল গোয়েন্দা তথ্য। এ ছাড়া কল্যাণপুরের অভিযানে আহত রাকিবুল হাসান রিগ্যানকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে আরও কিছু তথ্য পাওয়া যাবে।

সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র কোন পথে এসেছে, তা জানা গেছে বলে জানান মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘অস্ত্র কার কাছে এসেছে, কীভাবে এসেছে, সেটা জানতে পেরেছি। কিন্তু নেপথ্যে ব্যক্তি কে, তা এখনো বের করা সম্ভব হয়নি।’ তিনি বলেন, গুলশান হামলার জন্য তৃতীয় একটি দেশ থেকে ভারত হয়ে দুই ধাপে প্রায় ২০ লাখ টাকা এসেছিল। এই টাকা গ্রহণ করে চকলেট ওরফে বাশারুজ্জামান।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.