নিউজ ডেস্ক | ১২ এপ্রিল, ২০১৫
যুদ্ধাপরাধী কামারুজ্জামানের ফাঁসির দণ্ড কার্যকরের পর দাফনের জন্যে র্যাব-পুলিশ পাহারায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে শেরপুরে তার পৈত্রিক বাড়িতে।
কড়া প্রহরার মধ্যে এই লাশ নেওয়া হলেও গাজীপুর চৌরাস্তা অতিক্রমের সময় মরদেহবাহী গাড়িতে জুতা নিক্ষেপ করে যুদ্ধাপরাধীদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করেছেন স্থানীয় জনতা। এতে গাড়ির কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বুধবার বিকাল থেকে বাজিতখিলার ওই জমিতে কবরের কাজ চলছিল। দাফনের পর কবর বাঁধানোর জন্য ইট ও বালুও এনে রাখা হয়।
এই যুদ্ধাপরাধীকে কবরের জায়গা না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন শেরপুরের মুক্তিযোদ্ধারা, যার মধ্যে কামারুজ্জামানের স্ত্রীর এক ভাইও ছিলেন। তবে পরে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনার পর তারা কামারুজ্জামানের লাশ প্রতিরোধের ওই ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
একাত্তরে ময়মনসিংহ অঞ্চলের আলবদর বাহিনীর প্রধান কামারুজ্জামানকে যে অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তা হচ্ছে শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার সোহাগপুরে শতাধিক মানুষকে হত্যা।
একাত্তরে ওই গণহত্যার পর সোহাগপুরের অধিকাংশ নারীকে অকালে বৈধব্য নিতে হওয়ায় গ্রামটি বিধবাপল্লী হিসেবে পরিচিতি পায়।
কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে আপিলের রায় দেওয়ার সময় সর্বোচ্চ আদালত একাত্তরে এই জামায়াত নেতার ভূমিকাকে জানোয়ারের সঙ্গে তুলনা করেন।