নিউজ ডেস্ক | ১২ এপ্রিল, ২০১৫
মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া আল বদর কমান্ডার, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামানকে দাফন করতে শেরপুরের বাজিতখিলা কুমোরি মুদিপাড়া গ্রামে যাননি তার স্ত্রী-কন্যা-পুত্রদের কেউই।
যুদ্ধাপরাধী ও সোহাগপুরের গণহত্যার মূখ্য কারিগর তার অন্তিম যাত্রার সময়ে পরিবারের কাউকে পাননি। এমনকি তারা তার জানাজায়ও অংশ নিচ্ছে না। স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতারাও মুখে কলুপ এঁটে বসে আছেন। তার জানাজায় দলীয়ভাবে অংশ নেবে কীনা এ নিয়েও সন্দিহান তারা।
কামারুজ্জামানের ছেলেরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে জানালেন কামারুজ্জামানের বড় ভাই কফিল উদ্দিন।
আমার ভাতিজা হাসান ইকবাল ওয়ামির সঙ্গে মোবাইলে কথা হয়েছে। তাছাড়া ওরা মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছেন। এ ধকল কাটিয়ে উঠতে পারছে না- জানালেন কফিল।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে শেরপুরমুখী কামারুজ্জামানের মরদেহ বড় ভাই কফিল উদ্দিনকে গ্রহণ করতে বলেছেন কামারুজ্জামানের বড় ছেলে হাসান ইকবাল। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাকে ওরা লাশ বুঝে নিয়ে জানাজা ও দাফনের সব আয়োজন সম্পন্ন করতে বলেছেন। ওরা আসছে না।’
ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে কবর খোড়া ও জানাজার সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে কফিল উদ্দিন বলেন, লাশ আসার পরই দ্রুত সময়ের মধ্যে বাজিতখিলা কুমোরি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে জানাজা ও বাজিতখিলা কুমোরি এতিমখানার পাশেই দাফন সম্পন্ন করা হবে।
মানবতাবিরোধী অপরাধে শনিবার রাত ১০টার পর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে কামারুজ্জামানের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরের মাধ্যমে কাদের মোল্লার পর তিনি হচ্ছেন বাংলাদেশের ইতিহাসের দ্বিতীয় ব্যক্তি যার সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর হলো।