নিউজ ডেস্ক | ০৭ জানুয়ারী, ২০১৫
আইনের দৃষ্টিতে পলাতক থাকায় দেশের সকল ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার ও প্রকাশ নিষিদ্ধ করেছেন হাইকোর্ট।তারেক রহমানের বক্তব্য বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রচার না করার নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে বুধবার (৭ জানুয়ারি) এ আদেশ দেন বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকী লিনা। তার পক্ষে আইনজীবী হিসাবে শুনানি করেন সানজিদা খানম এমপি।
রিটে বিবাদী করা হয়েছে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তথ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, বিটিভির মহাপরিচালক, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, একুশে টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক, কালের কণ্ঠের সম্পাদকসহ গণমাধ্যমকে।
রিটকারী নাসরিন সিদ্দিকী লিনা বলেন, "একজন ফেরারি আসামির বক্তব্য মিডিয়ায় প্রচার হতে পারে না। যাকে আদালত খুঁজে পাচ্ছেন না, তার বক্তব্য প্রচারযোগ্য নয়। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি এ রিটটি দায়ের করেছি।"
ভবিষ্যতে কোনো পত্রিকা, ইলেট্রনিক মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসে তারেক রহমানের কোনো বক্তব্য প্রকাশ, প্রচার, সম্প্রচার, পুন:উৎপাদন না করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে তথ্য সচিবের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয় রিট আবেদনে।
অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনার পাশাপাশি রিটে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞার কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, মর্মে রুলও চাওয়া হয়।
রিটে বলা হয়, ফেরারি তারেক রহমান সংবিধান লঙ্ঘন করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে নানা অপরাধমূলক কথা বলছেন। যা দণ্ডবিধি অনুসারেও অপরাধ। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের অনুভূতিতে আঘাত দিচ্ছেন।
এছাড়াও তার এসব বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি শান্তিভঙ্গ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছেন বলেও রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।