Sylhet Today 24 PRINT

ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ায় বাবার কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ নিয়েছিলেন মুহিত

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬

‘বহুদিন আগে আমি কমরেড ব্যাংকে কিছু টাকা ট্রানজেকশন করেছিলাম। সিলেট টু ঢাকা। কিন্তু ওই ১৪০ টাকা ট্রানজেকশন হওয়ার আগেই ব্যাংকের লালবাতি জ্বলে গেছে। আমার পিতা সরকারি ব্যাংকের আইনজীবী ছিলেন। তার কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ নিয়েছিলাম।’

ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এমনটি বলেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল মাল মুহিত।
 
বুধবার বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের (বিডিবিএল) গত এক বছরের লভ্যাংশের ১০ কেটি টাকার চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘একসময় রাজনৈতিক নেতারা লোন নিয়ে রাতরাতি শিল্পতি হয়েছেন। সেই দায় আমরা এখন বয়ে বেড়াচ্ছি। তবে তরুণদের মধ্যে সে প্রবণতা নেই। এখন অবস্থান অনেক পরিবর্তন ঘটেছে।’

মুহিত বলেন, ‘আমাদের ব্যাংকিং সেক্টর মনে হয় একটু বেশি হয়েছে। ব্যাংকগুলো এখন একীভূতও হয়। বিভিন্ন দেশে হচ্ছে। এতে দোষের কিছু নেই। ব্যাংক বেশি হলেও আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি। ব্যাংক এখন আর মরে যায় না। আগে ব্যাংক মরে যেতো। এখন আর সে অবস্থা নেই। তবে এখন আমাদের আইন-কানুন নিয়ে প্রস্তুত থাকতে হবে।’  

বেসিক ব্যাংকের সমালোচনা অর্থমন্ত্রী বলেন, ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় রাষ্ট্রায়াত্ব খাতের বিশেষায়িত ব্যাংক বেসিক এর অবস্থা অন্য যে কোনো ব্যাংকের চেয়ে খারাপ।

মুহিত বলেন, ‘অনেক ব্যাংকই ভালো করছে। কিছু কিছু ব্যাংক ভালো করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় আছে বেসিক ব্যংক। ব্যাংকটির বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করছে ওই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে। কিন্তু বেসিক কিছুই করতে পারছে না।

কৃষি ব্যাংকের অর্থনৈতিক অবস্থাও কিছুটা খারাপ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাণিজিক ঋণের কারণে ব্যাংকটির এই অবস্থা হয়েছে। এই ঋণ বন্ধ করা উচিত। তাদেরকে কৃষি ঋণের দিকে বেশি নজর দেওয়া উচিত। কারণ কৃষকরা এখন ঋণ ফেরত দেয়। তারা আগের মতো আর ভাবেন না যে, ঋণ নিলে আর ফেরত দিতে হবে না।’

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.