সিলেটটুডে ডেস্ক | ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণকে শোষণ করার জন্য তথাকথিত গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার ঘনিষ্ঠ কয়েকটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে অতিরিক্ত লাভ পাইয়ে দিতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। অথচ বাস্তবে এলপিজির আমদানির ব্যয় অনেক হ্রাস পেয়েছে। বল্গাহীনভাবে রাজস্ব আদায় করতেই সরকার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি করেছে। পাশাপাশি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অল্পসময়ের মধ্যেই বিদ্যুতের দাম আবারো বাড়ানো হতে পারে। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক, নৈতিকতাবিহীন এবং এতে দেশের অর্থনীতি ভয়াবহ চাপে পড়বে।
বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অবিলম্বে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক ও নৈতিকতাবিহীন। জনগণ এ সিদ্ধান্ত মানবে না।
এ সময়ে তিনি আরো বলেন, গত আগস্টে বিইআরসিতে গণশুনানি হয়েছিল। ওই শুনানি আবারো গত বছরের ডিসেম্বরে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে শুনানিও অনুষ্ঠিত হয়নি। শুনানি এড়িয়ে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। সরকার তার আনুকূল্যতুষ্ট ব্যবসায়ীদের এলপিজি আমদানির সুযোগ করে দিতেই একটি লাইসেন্সরাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। এর ফলে প্রতিযোগিতাহীন বাজারে কিছু মুখচেনাব্যক্তি অনার্জিত মুনাফা গুণবে। জনগণ শোষণের যাঁতাকলে নিষ্পেষিত হবে।
সরকার রাজস্ব ঘাটতি কমাতেই জ্ঞানশূন্য হয়ে পরেছে দাবি করে তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত মানতে গিয়ে একদিকে গ্যাসখাত উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে জনগণের উপর বর্ধিত দামের বোঝার চাপ পড়ছে। আসলে সরকার রাজস্ব ঘাটতি পূরণ করতে গিয়ে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে সকলক্ষেত্রে করের বোঝা বৃদ্ধির অপচেষ্টায় মেতে উঠেছে।