নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৬ মার্চ, ২০১৭
পরিবারের বাকি সদস্যরা তাঁকে রেখেই চলে গিয়েছিলেন। জঙ্গি আস্তানা আতিয়া মহলের পাশেই আজমল আলী কমপ্লেক্সের ৫তলার একটি কক্ষে আটকা পড়েছিলেন জ্যোৎস্না রানী দেব (৬৫)। অবশেষে রোববার সকালে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার এসআই আফসর আলী তাঁকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঐ ভবনটিও জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা হয়েছিলো।
সিলেট ওসমানী হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একে মাহবুবুল আলম সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, "জ্যোৎস্না রানীর কোন জখম হয়নি, আতংক আর খেতে না পেয়ে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছেন, তাঁকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।"
জানা যায়, জঙ্গি অভিযান শুরুর পর জ্যোৎস্না রানীর ছেলে ও পুত্রবধু তাঁকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন। এজন্য বৃদ্ধার আটকে থাকার খবর জানতে পারেননি সেনা সদস্যরা।
শুক্রবার ভোর থেকে সিলেট মহানগরীর শিববাড়ির ওই ভবনে জঙ্গি অভিযান চলছে। পুলিশ, সোয়াটের পর অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছে সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ইউনিট। শনিবার ওই ভবনের ৭৮ জনকে অক্ষত উদ্ধার করে তারা। শনিবার সবাইকে উদ্ধারের পর শুরু হয় অপারেশন 'টোয়াইলাইট'। শনিবার সন্ধায় অভিযান চলাকালেই অদূরবর্তী পুলিশ চেকপোস্টে বোমা হামলা হয়, তাতে পুলিশ কর্মকর্তাসহ এ পর্যন্ত ছয় জন নিহত হয়েছেন। রোববারও অভিযান চলছে।