Sylhet Today 24 PRINT

শাফাত ও সাদমানকে জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ১২ মে, ২০১৭

গ্রেফতার শাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে জিজ্ঞাসাবাদে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।

শুক্রবার (১২ মে) দুপুরে ডিবি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবির যুগ্ম কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় এ তথ্য জানান। পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, ভিকটিমরা যাতে সুবিচার পেতে পারে সে জন্য সহায়ক তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হবে বলে তিনি তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে আশ্বাস দেন।

কৃষ্ণপদ রায় জানান, বাকি ধর্ষকদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে অভিযান শেষ হবে।

বনানীর আবাসিক হোটেলে দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন মদিনামার্কেট এলাকা থেকে শাফাত ও সাদমানকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় পুলিশ।  রাতেই তারা ঢাকা পৌঁছান। দুই জনকে গ্রেপ্তারের পর সিলেট মহানগর উপ-পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) জেদান আল মুসা জানান, পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশে ঢাকার গোয়েন্দা দল সাফাত ও তার সহযোগীদের সম্পর্কে তথ্য দেয়। এর ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ ও সিলেট জেলা মহানগর পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়।

শাফাত আহমেদ (২৬) আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে এবং সাদমান (২৪) রেগনাম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে।

উল্লেখ্য, ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ এনে গত ৬ মে বনানী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন দুই তরুণী। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৮ মার্চ পূর্বপরিচিত শাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওই দুই তরুণীকে জন্মদিনের দাওয়াত দেয়। এরপর তাদের বনানীর ‘কে’ ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বরে রেইনট্রি নামের হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, সেখানে দুই তরুণীকে হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ করে শাফাত ও নাঈম। এ ঘটনা সাফাতের গাড়িচালক বিল্লালকে দিয়ে ভিডিও করানো হয় বলেও উল্লেখ করা হয় এজাহারে। ধর্ষণ মামলার আসামিরা হলো- শাফাত আহমদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.