সিলেটটুডে ডেস্ক | ১২ মে, ২০১৭
ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার শাফাত ও সাদমান
বনানীতে দুই তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার গ্রেপ্তার হওয়া আসামি শাফাত আহমেদ ও তার বাবা আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের সব ব্যাংক হিসাব তলব করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। একইসঙ্গে আপন জুয়েলার্সের হিসাবও চাওয়া হয়েছে।
শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক মইনুল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মইনুল খান বলেন, ‘শাফাত আহমেদ ও তার বাবা দিলদার আহমেদের সব ব্যাংক হিসাব তলব করে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাদের অর্থের উৎস জানতে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেওয়া হয়। এছাড়া তাদের ব্যবসায়িক লেনদেনে স্বচ্ছতা আছে কিনা, তা জানার জন্য আপন জুয়েলার্সেরও হিসাব চাওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যম সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পেরেছি যে বহুল আলোচিত ধর্ষণের ঘটনাটি চাপা দিতে বিপুল অর্থ খরচের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। আমরা এখন তদন্ত করে দেখছি এই অর্থের উৎস ডার্টি মানি কি না।’
৬ মে বনানী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা করেন ধর্ষণের শিকার হওয়া একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, এক পরিচিত ব্যক্তির জন্মদিনের পার্টিতে অংশ নিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন তারা। বনানীর রেইনট্রি হোটেলের দুটি কক্ষে আটকে রেখে তাদের ধর্ষণ করা হয়।
মামলার পাঁচ আসামি হলেন শাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, শাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।
গত বৃহস্পতিবার রাতে সিলেটের পাঠানটুলায় গ্রেপ্তার হন শাফাত ও সাদমান। শুক্রবার সকালে শাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে সিলেট থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে আনা হয়। সেখান থেকে তাদের আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালত শাফাতকে ৬ দিনের এবং সাদমানকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন।