Sylhet Today 24 PRINT

ভ্রাম্যমাণ আদালতের আরও দুই সপ্তাহ সময়

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ১৮ জুলাই, ২০১৭

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় আরও দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে এই সময় পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় আইনগত কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

মঙ্গলবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর আপিলের শুনানির জন্য সময় আবেদন করলে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ আরও দুই সপ্তাহ সময় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে আ্যটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সময় আবেদন করেছিলেন। পরে আপিল বিভাগ তা মঞ্জুর করেন।

গত ১৪ মে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অবৈধ ঘোষণার রায় স্থগিত করে শুনানির জন্য আপিল বিভাগে পাঠিয়ে দেন চেম্বার কোর্ট। ২ জুলাই আপিল বিভাগ চেম্বার আদালতের স্থগিতাদেশ বহাল রাখেন ও দুই সপ্তাহ সময় দেন। আজ সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্থগিতাদেশ আরও দুই সপ্তাহ বাড়ান আপিল বিভাগ।

এর আগে এ-সংক্রান্ত আলাদা তিনটি রিটের শুনানি শেষে গত ১১ মে বৃহস্পতিবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

এ বিষয়ে রিটকারীর আইনজীবী হাসান এম এস আজিম বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন (মোবাইল কোর্ট অ্যাক্ট-২০০৯) কয়েকটি ধারা ও উপধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আলাদা দুটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে ২০১১ সালে এ বিষয়ে রুল জারি করা হয়েছিল। রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক রায় ঘোষণাকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

‘ঐতিহাসিক মাসদার হোসেন মামলার রায় অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও বিচার করা সংবিধান ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পরিপন্থী’, বলেন আজিম।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, এসথেটিক প্রপার্টিজ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান খান ভবন নির্মাণ আইনের কয়েকটি ধারা ও উপধারা চ্যালেঞ্জ করে ২০১১ সালের ১১ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে ওই বছরের ১৯ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। রুলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ আইনটির কয়েকটি বিধান কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল।

ভবন নির্মাণ আইনের কয়েকটি ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০১১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর টয়েনবি সার্কুলার রোডে অবস্থিত এক বাড়ির মালিক মো. মজিবুর রহমানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এরপর আইনের বিধান ও অর্থ ফেরতের নির্দেশনা চেয়ে ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর রিট করেন মজিবুর। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই দিন হাইকোর্ট রুলসহ সাজার আদেশ স্থগিত করেন।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.