নিহত মামুনুর রশিদের বাড়ি চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের আমানী লক্ষ্মীপুর গ্রামে। তিনি ওই ইউনিয়নের ছাত্রলীগকর্মী ছিলেন বলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন জানান।
অবশ্য লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান বলছেন, মামুন স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী দলের সদস্য ছিলেন। সন্ত্রাসীদের কোন্দলেই তিনি খুন হয়ে থাকতে পারেন।
পুলিশ সুপার জানান, সোমবার রাত ১০টার দিকে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার দেলিয়াই বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিজের গ্রামের কাছেই মামুনের ওপর হামলা হয়।
“সন্ত্রাসীরা মামুনকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।”
এসপি মিজান বলেন, “মামুন নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার সন্ত্রাসী কাউছার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। সন্ত্রাসী বাহিনীগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে প্রতিপক্ষ জিসান বাহিনীর লোকজন মামুনকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।”
লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।