নিউজ ডেস্ক | ২১ মে, ২০১৫
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসী বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে সে দেশের সরকার। সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সেখানে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের ফেরত পাঠাতে সময়ক্ষেপণ করবে না।
বুধবার (২০ মে) মালয়েশিয়ার পার্লামেন্টের লবিতে দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী ড. ওয়ান জুনাইদি তুয়াঙ্কু জাফর তাদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ড. ওয়ান জুনাইদি তুয়াঙ্কু জাফর বলেন, গত ১১ মে বাংলাদেশি ওইসব অভিবাসী লাঙ্কাবি দ্বীপে ওঠেন। শরণার্থীবিষয়ক কাগজপত্র চূড়ান্ত করার পরই তাদেরকে ফেরত পাঠানো হবে।
মালয়েশিয়া বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় আসা অবৈধ বাংলাদেশিদের সঙ্গে আরও ৪শ’ রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে। তাদেরকে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ইউএনএইচসিআরের হাতে তুলে দেওয়া হবে। আর অবৈধ বাংলাদেশিদের কাগজপত্র সম্পন্ন হওয়া মাত্রই তাদেরকে দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
সম্প্রতি দেশটির পত্র-পত্রিকার রিপোর্টে বলা হয়েছে, নারী ও শিশু সহ ১৪শ’ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা বোটে করে লাঙ্কাবি দ্বীপে পৌঁছান। ড. ওয়ান জুনাইদি তুয়াঙ্কু জাফর রোহিঙ্গা শরণার্থী ইস্যুকে মিয়ানমারের জন্য একটি গুরুতর সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করেন। এ বিষয়টির সমাধান করতে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।
এ বিষয়ে মালয়েশিয়া লেবার কনস্যুলার সাইদুল ইসলাম মুকুল বাংলাদেশের একটি অনলাইন পোর্টালকে বলেন, লাঙ্কাবি আটক বাংলাদেশি শ্রমিকদের যেন কোনো প্রকার নির্যাতন না করা হয় বাংলাদেশ হাইকমিশন তরফ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে। তারা ও আমাদের কে আশ্বাস দিয়েছেন। কোনো প্রকার হয়রানি করা হবে না। বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমরা জেনেছি আমাদের শ্রমিকদের খুব শিগগিরই দেশে পাঠানো হবে।