সিলেটটুডে ডেস্ক | ২৪ আগস্ট, ২০১৭
তুরস্কের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য এফটিএ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ। এ বিষয়ে দেশটির সঙ্গে প্রথম পর্যায়ের আলাপ-আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা কিছুদিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
বুধবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে (টিআইএম) এবং এফবিসিসিআই আয়োজিত ‘তার্কি-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম অ্যান্ড বিটুবি মিটিং প্রোগ্রাম’ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে তার্কিস এক্সপোর্টার্স অ্যাসেম্বলি (টিআইএম) এবং এফবিসিসিআই-এর মধ্যে একটি এমওইউ সই হয়।
বাংলাদেশের পক্ষে এফবিসিসিআই প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিম এবং টিআইএম এর পক্ষে তার্কিস এক্সপোর্টার্স অ্যাসেম্বলির মেম্বার অফ সেক্টর কাউন্সিল বাসরা বাইরাক এমওইউতে সই করেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তুরস্ক ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য নয়, সে কারণে সেখানে বাংলাদেশ ডিউটি ও কোটা ফ্রি বাণিজ্য সুবিধা পায় না। গেলো অর্থ বছরে বাংলাদেশ তুরস্কে রপ্তানি করেছে ৬৩১.৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য, একই সময়ে আমদানি করেছে ২১২.৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাংলাদেশের পক্ষে ৪১৯.৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ঔষধ, হিমায়িত মাছ, শুকনা খাবার, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, প্লাস্টিক পণ্য, সিরামিক পণ্য, তৈরি জাহাজ, হালকা ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে তুরস্কে। উচ্চ শুল্কহারের কারণে বাংলাদেশ আশানুরূপ পণ্য তুরস্কে রপ্তানি করতে পারছে না। তুরস্কের সঙ্গে এফটিএ হলে বাংলাদেশ তুরস্কের কাছে এ বাণিজ্য সুবিধা পাবে। তখন তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানি অনেক বৃদ্ধি পাবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ডেভরিম অজতুর্ক। এছাড়া বাংলাদেশে সফররত তার্কিস এক্সপোর্টার্স অ্যাসেম্বলির মেম্বার অব সেক্টর কাউন্সিল বাসরা বাইরাক, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।