সিলেটটুডে ডেস্ক | ০৭ অক্টোবর, ২০১৭
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের পদক্ষেপের কারণেই মিয়ানমারে রোহিঙ্গা সঙ্কট এখন বিশ্ববাসীর মনোযোগের কেন্দ্র।
জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফেরার পর শনিবার সকালে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
৫ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে মানবিকতার নিদর্শন প্রদর্শন করার পাশাপাশি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বক্তৃতায় এই সঙ্কটের প্রতি বিশ্ববাসীর মনোযোগ আকর্ষণ করায় শেখ হাসিনাকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যা কিছু অর্জন তা এদেশের মানুষের অবদান এবং তাদের কল্যাণে, সমর্থনে ও দোয়ায়।
বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে মানবিকতার বৃহত্তর স্বার্থে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেছেন, ‘জাতির পিতা আমাদেরকে মানুষকে সহায়তা করাই শিখিয়েছেন। যখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেই, অনেক সময় দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তার চেয়েও বড় বিষয়, সে সিদ্ধান্ত সঠিক হতে হয়, যেন সফলতা পায়। এসব সিদ্ধান্তে সবার সমর্থন পাই’।
‘দেশের মানুষের আস্থা ছিল, বিশ্বাস ছিল, সমর্থন ছিল বলেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদেরকে আশ্রয় দেওয়া হয়। এ কারণে বাংলাদেশ যে আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানিত হচ্ছে, ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে, যা কিছু অর্জন হচ্ছে- তার সবই তাই এদেশের মানুষের কল্যাণে, তাদের সমর্থনে ও দোয়ায়।
নোয়াখালীর ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী বাসস্থান গড়ে পুনর্বাসন করা হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
‘আশ্রয় যখন দিয়েছি, তখন তাদেরকে ভালোভাবে রেখে সম্মানের সঙ্গে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা নেবো’- বলেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে প্রায় তিন সপ্তাহের সফর শেষে দেশে ফেরার পর শনিবার (০৭ অক্টোবর) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেওয়া সংবর্ধনার জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।
ঢাকায় পৌঁছালে বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো এবং ১৪ দলের নেতারাসহ সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ সংবর্ধনা জানাচ্ছেন। ঢাকায় পৌঁছালে বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো এবং ১৪ দলের নেতারাসহ সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা জানাচ্ছেন। নির্যাতিত হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া, জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশ নিয়ে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন বন্ধে আন্তর্জাতিক জনমত সৃষ্টি ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিক ভূমিকা রাখায় আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হওয়া এবং বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ গণসংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।