সিলেটটুডে ডেস্ক | ০১ জুলাই, ২০১৫
ন্যায়বিচারের স্বার্থে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) ধানমণ্ডির টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত জাতীয় যুব-সততা জরিপ-২০১৫ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রকাশিত যুব-সততা জরিপে রাজনীতি ও আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে তরুণরা। একই সঙ্গে সরকারি সেবা খাতগুলোকে তারা বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত মনে করছে। সততার অভাবকেই তারা দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নের জন্য একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ন্যায়বিচারের স্বার্থে মায়ার এবং একইভাবে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের পদত্যাগ করা উচিত। যদিও বাংলাদেশে এ ধরনের উদাহরণ নেই। ত্রাণমন্ত্রী যদি পদত্যাগ করতেন তাহলে ভালো হতো। বিচারে কোনো প্রভাব পড়ত না। চূড়ান্ত রায়ে নির্দোষ প্রমাণিত হলে পরে ত্রাণমন্ত্রীকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করা যেত। এর মাধ্যমে তিনি নজিরও স্থাপন করতে পারতেন। একইভাবে গম নিয়ে খাদ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এখন পর্যন্ত এটা প্রমাণিত যে, গমের মান ততোটা ভালো নয়। তাই খাদ্যমন্ত্রীরও উচিত ছিল স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করা।
তিনি আরও বলেন, যদি তদন্ত ও বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে প্রমাণ হতো যে এ ঘটনার সঙ্গে খাদ্য বিভাগের লোকজন জড়িত নন, তাহলে তারা আরও বেশি জনপ্রিয়তা পেতেন।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় যুব-সততা জরিপ-২০১৫ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরেন টিআইবির গবেষণা ও পলিসি বিভাগের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মনজুর-ই-খোদা এবং শাম্মী লায়লা ইসলাম। টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, উপনির্বাহী পরিচালক ড. সুমাইয়া খায়ের এবং রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান বক্তব্য দেন।