Sylhet Today 24 PRINT

ফেলানী হত্যায় বাবাকে দায়ী করেছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

ফেলানী হত্যাকাণ্ডে ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ক্ষতিপূরণের সুপারিশের জবাবে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফেলানীর পিতা নুরুল ইসলামকে দায়ী করেছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চিঠির জবাবে জানায়, ফেলানী হত্যাকাণ্ডের জন্য তার পিতা নুরুল ইসলাম দায়ী করে জানায় অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার সময় এ ঘটনা ঘটেছে।

এর আগে ৩১ আগস্ট ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ফেলানী হত্যাকাণ্ডে তার পরিবারকে ৫ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দিতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দেয়। এ অর্থ বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ফেলানীর বাবার আইনজীবী ও কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন গণমাধ্যমকে জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। ওই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফেলানী হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী-বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে অভিযোগ থেকে আড়াল করার জন্য এমন জবাব দিয়েছে তা পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।

এদিকে, ফেলানী হত্যাকাণ্ডের ন্যায়-বিচার ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে ভারতের মানবাধিকার সংগঠন মাসুম সে দেশের সুপ্রিম কোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেছে। আগামী ৬ অক্টোবর রিটের শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত। গত ২০১১ সালে ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয় বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী।

এ ঘটনার পর বিএসএফের বিশেষ আদালতে অমিয় ঘোষকে অভিযুক্ত করে একটি অভিযোগ গঠন করে। ২ বৎসর ৮ মাস পর ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে নির্দোষ রায় দেয় বিএসএফের বিশেষ আদালত। সেই রায় যর্থাথ মনে করেনি বিএসএফ মহাপরিচালক। তিনি রায় পুর্নবিবেচনার আদেশ দিয়েছিলেন।

দ্বিতীয় দফায় ২ জুলাই ২০১৫ বিএসএফের বিশেষ আদালত পুনরায় অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে নির্দোষ ঘোষণা করে রায় দেয়ার পর বাংলাদেশের মানবাধিকার সংস্থা এ বিষয়েটি নিয়ে ভারতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছে আবেদন করে। সূত্র - বাসস

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.