Sylhet Today 24 PRINT

ফেসবুক জুড়ে হাহাকার, শাহরিয়ার শাহরিয়ার!

নিজস্ব প্রতিবেদক |  ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, সাংস্কৃতিক সংগঠক, সিলেট গণজাগরণ আন্দোলনের কর্মী শাহরিয়ার মজুমদারের মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক জুড়ে হাহাকার চলছে। পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য আত্মহত্যাজনিত মৃত্যুকে মেনে নিতে পারছেন না কেউই।

তাদের বক্তব্য নিজের উচ্চতার কম সমান উচ্চতায় গলায় বেল্ট বেঁধে আত্মহত্যা কোনভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। অনেকেই শাহরিয়ারের অনলাইন ও অফলাইন এক্টিভিটি, পূর্বেকার হত্যার হুমকিকে সামনে নিয়ে এসে এটাকে পরিকল্পিত এবং কৌশলি হত্যাকাণ্ড বলছেন।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শহীদুল ইসলাম সুমন লিখেছেন- নিজের ডিপার্টমেন্টের বাইরে সবচেয়ে বেশী যে স্টুডেন্টটার সাথে আমার যোগাযোগ ছিলো সেটাMuhammad Shahriar Majumdar। কার্টুন ফ্যাক্টরীর প্রেসিডেন্ট হিসাবে ওর কাজ, সিলেট গনজাগরণ মঞ্চের জন্য জান দিয়ে করা ওর করা কাজ, শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে আল্পনা আঁকার কাজ, প্রতি বছর বাংলা নববর্ষ আয়োজনের কাজ - সব কিছুতেই ওর ডেডিকেশান আর ক্রিয়েটিভিটি দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে ভেবেছি, "কি অদ্ভুত চমৎকার একটা ছেলে!" ইউএসএ আসার পরেও ওর সাথে অনেকবার অনেক কিছু নিয়ে আমার কথা হয়েছে। ওর সাথে কথা বললেই আমার খুব ভালো লাগতো।

শাহরিয়ার মারা গেছে - ব্যাপারটা আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না। খবরটা শোনার পর থেকে আমার হাত-পা কাঁপছে। সবচেয়ে বেশী অবিশ্বাস হচ্ছে, "ও সুইসাইড করেছে" - এমন একটা খবর শুনে। ওর মতো এত প্রাণবন্ত একটা ছেলে কিভাবে সুইসাইড করে? আমি কোনভাবেই মানতে পারছি না ও সুইসাইড করেছে।

২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারী থেকেই অনেক রাজাকারপ্রেমী জঙ্গীর চক্ষুশুল শাহরিয়ার। তখন থেকে সে বিভিন্ন সময়ে কিছু মৃত্যু পরোয়ানার মতো চিঠি, এবং অন্যান্য হুমকি পেয়েছে। আমি ওর সেফটি নিয়ে সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকতাম - বলতাম একা চলাফেরা না করতে। এখন ও রুমে একা থাকা অবস্থায় মারা গেলো, এবং সেটাকে সুইসাইড বলা হচ্ছে - আমি মেনে নিতে পারছি না। এই মৃত্যুর সুষ্ঠ তদন্ত হচ্ছে, এই ব্যাপারটা নিশ্চিত করার কেউ কি আছে?

ব্লগার রায়হান রশিদ লিখেছেন- পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে (সুরতহাল) বলছে শাহরিয়ার মজুমদারের মৃত্যু আত্মহত্যাও হতে পারে। বলছে কোমর সমান উচ্চতায় ফাঁস লাগিয়ে মৃত্যু দুর্লভ হলেও এমন আত্মহত্যা নাকি পুরোপুরি অসম্ভব না। কোন ধস্তাধস্তি বা আত্মরক্ষামূলক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে কি না সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি এখনো। মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য নেয়া হয়েছে শুনছি। আশা করছি শিগগিরই আরও স্পষ্ট হবে বিষয়গুলো।

তবে নিবিড়ভাবে যারা শাহরিয়ারকে চিনতেন সেই শাহবাগ কিংবা তারও আগে এবং পর থেকে - যারা তার উদ্যম এবং জীবনীশক্তির সাথে পরিচিত ছিলেন - তাদের কারো পক্ষেই এই ঘটনাকে স্রেফ 'আত্মহত্যা' বলে মেনে নেয়া কঠিন। শাহরিয়ারের এমনকি গতকালকের ফেসবুকের সমস্ত কর্মকান্ড থেকেও এমন কিছুর সামান্যতম ইঙ্গিত পাওয়া যায় না।

ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ভাল বলতে পারবেন - পুলিশের কথায় কিছু টেকনিক্যাল যুক্তি থাকলেও থাকতে পারে হয়তো। আমাদের পক্ষে নিশ্চিতভাবে এখনই কিছু বলা সম্ভব না।

কিন্তু কিছু কথা আমাদেরও মনে রাখা দরকার। একজন ব্লগার কিংবা একজন একটিভিস্টের নিরাপত্তাহীনতাজনিত সার্বক্ষণিক এই শংকার জীবন, কিংবা এর সাথে জড়িত মৌলিক ডিগনিটির প্রশ্নগুলোর কথা আমরা একবারের জন্যও যেন বিস্মৃত না হই। সেই আলোকে - আজকের বাংলাদেশে একজন একটিভিস্টের মৃত্যু যদি আপাত দৃষ্টিতে কিংবা শেষ বিচারে স্রেফ আত্মহত্যা বলেও পরিগণিত হয় আইনের চোখে, তাকে কি আসলে আত্মহত্যা বলা যায় নাকি বলা উচিত? রাষ্ট্রযন্ত্রের ব্যার্থতা, উদাসীনতা, পুরো প্রশাসন আর সরকারের মুহুর্মুহু শাসানী যে মৃত্যু ডেকে আনে তাকে আসলে কি বলে? কি বলা উচিত তাকে?

একদিকে ধর্মান্ধ হিংস্র মৌলবাদীরা, পাশাপাশি গোটা প্রশাসন আর তার কালো আইনগুলো। একদিকে সপুত্র প্রধানমন্ত্রী, তার পাশাপাশি তাদের তাবেদার বাহিনী, আর দেশের সংখ্যাগুরু তথাকথিত অনুভূতিপ্রবণ ধর্মপ্রাণেরা! এই সবাই মিলে - যেখানে একটা গোটা প্রজন্মের চিন্তাকে রুদ্ধ করতে বদ্ধ পরিকর - ব্লগার এবং একটিভিস্টদের আত্মাটাকেই গলা টিপে মেরে ফেলতে সিদ্ধহস্ত - সেখানে আসলে ঘটা করে আত্মহত্যা করার মতো কিই বা বাকি থাকে আর? চিন্তার মৃত্যুর এই মহা ষড়যন্ত্রে শারিরিক মৃত্যুকে আলাদা করে দেখার সুযোগ কই?

রায়হান রশিদের পোস্টে নিয়াজ মোরশেদ চৌধুরী কমেন্টে লিখেন- পুলিশের কথা টেকনিকালি ভুলই মনে হচ্ছে আমার। আমার শৈশব-কৈশর কেটেছে পুলিশ অফিসার বাবার সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে। সেখানে আমি বিভিন্ন সময় ফিল্ডে থাকা পুলিশ অফিসারদের অভিজ্ঞতার কথা শুনেছি। সেই অভিজ্ঞতায় অন্তত একাধিকবার ফাঁসির বিষয়টা এসেছে। শুনেছি, যে ব্যাক্তি গলায় ফাঁসি দেয় তার পায়ের গোড়ালি ভাঙ্গা থাকে। কারণ শেষ সময়ে সবাই বাঁচতে চায় এবং পা দিয়ে মাটি ছুঁতে চায়। ফাঁসির এই বিশেষ বৈশিষ্টটা কোন ভাবেই কোমর সমান উচ্চতার তত্বকে সমর্থন দেয় না। পুলিশ ফাঁসির পাশাপাশি অন্য সম্ভাবনা গুলোও যেন সিরিয়াসলি তদন্ত করে তেমনটা প্রত্যাশা করবো (যদিও কতটুকু করবে সেটা ভেবে আশাবাদী হতে পারছি না)

ব্লগার আজম খান (মহামান্য কহেন) শাহরিয়ারের রুমের ছবি শেয়ার করে লিখেছেন- কেউ আমারে বুঝান কোমরের নীচের উচ্চতায় বেল্ট দিয়ে কেউ কিভাবে সুইসাইড করে। নো ডাউট, দিস ইজ মার্ডার।

রাজীব রাসেল শাহরিয়ার মজুমদারের সর্বশেষ পোস্টের স্ক্রিনশট দিয়ে লিখেন- ফেসবুকে এটিই তার সর্বশেষ পোস্ট। লেখালেখি ছিলো মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে, মৌলবাদের বিপক্ষে, জংগীবাদের বিরুদ্ধে। নিয়মিত উপস্থিতি ছিলো সিলেটে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনে, ব্লগার হত্যার প্রতিবাদী মিছিলে।

শাবিপ্রবি'র শাহরিয়ার মজুমদার আত্মহত্যা করেনি। যে অবস্থায় তার লাশ পাওয়া গেছে, সেটি আত্মহত্যা নয়। কিছুদিন ধরে বন্ধুদেরও সে বলছিলো- সমস্যায় আছে, বিপদে আছে! তার মৃত্যুরহস্য উদঘাটিত হোক।

সাগর লোহানী তার টাইমলাইনে লিখেন- শাহরিয়ারের মৃত্যু আমাকে আরেকবার হতাশার গহ্বরে নিমজ্জিত করলো। আমি কোনভাবেই এ মৃত্যু মেনে নিতে পারবো না। আমাদের কি শুধুই মেনে নিতে হবে! কিচ্ছু করতে পারবো না আমরা? শুধুই একেকটা হত্যা চেয়ে চেয়ে দেখা? না না না না না .............

ফেসবুকে শরীফ শুভ্র লিখেন- দুদিন আগেও শাহরিয়ার ভাইয়ের সাথে সুরমা দেখা হলো, আজকে সেই সুরমা থেকেই ভাইকে এম্বুলেন্সে করে নিয়ে গিয়েছে। উনি নাকি কোথায় চলে গেছে। আর নাকি কথা হবে না, আর জিজ্ঞেস করা হবে না, পেইন দেয়া নেয়া আর দুষ্টুমি হবে না।

গেলো রমজান ঈদে একসাথে সিলেট থেকে বাসে করে চিটাগাং গেলাম। চিটাগাং যাওয়ার আগে ভাই আমার হাতে টাকা ধরাই দিয়ে বললো, যা টিকেট করে নিস, বাস ট্রেন যেটাই পাস, আমারটাও করিস। হায়, এ ঈদে নাকি ভাই থাকবে না। আমি বিশ্বাস করতে চাই না।

শাহরিয়ার ভাইয়ের সেই তিনতলায় উঠার সাহস আমার প্রথমে হয় নাই। আধঘন্টা নিচে দাঁড়িয়ে থাকার পর কিভাবে যেনো, অন্য সবার মতো আমারো সাহস হলো, যেখানে ভাই আমার ফ্লোরেতে নিথর হয়ে শুয়ে আছে। যেভাবে শুয়ে আছে, কেউ বিশ্বাস করবে না, ভাইটা আমার আর এই শোয়া থেকে উঠবে না। ভাইটা আমার হাসি দিয়ে বলবে না, " কিরে এসেছিস? কি লাগবে বল! "

ক্যাম্পাসে বড় ভাই হিসেবে যে কজনকেই পেয়েছি, এতো হাস্যজ্জল, সাহসী আর ডেডিকেটেড বড় ভাই খুব কমই আছে। ছয় বছরের ক্যাম্পাস লাইফে শাহরিয়ার ভাইকে কোনদিন হতাশ হতে আমি দেখি নাই, কোনদিন দেখি নাই ভাই আমার ডিপ্রেশনে আছে। ভাই তুমি ক্যম্পাসে, সেই কার্টুন ফ্যাক্টরিতে, সেই শিকড়ের প্রোগামে, ভাই তুমি আর্কিটেকচারের পহেলা বৈশাখে, ভাই তুমি সুরমা পয়েন্টে আড্ডায়, ভাই তুমি সাহিত্য সংসদে!! কিন্তু ভাই তোমাকে ফেইসবুকের পাতায় পাতায় আজ এই মৃত্যু নিউজ শেয়ার হওয়া দেখতে চাই নাই।

ক্যম্পাস লাইফের সবচেয়ে খারাপ দিনটি আজকে, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫... ভাই দেখে যেও তোমার জুনিয়ররা তোমার স্বপ্ন পূরনে অগ্রপথিক হবে। তুমি হাসবে বিজয়ের হাসি, যেখানেই থাকো ভালো থেকো।

একটা গান তোমার জন্য- "কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙ্গা বন্দিশালার ওই শিকল ভাঙ্গা। তারা কি ফিরবে আর এই সুপ্রভাতে, কত তরুন অরুন গেছে অস্তাচলে।"

জাহাঙ্গীর এ নোমান লিখেন- ল্যাপটপ চালু, চার্জে লাগানো, মোবাইল চার্জে লাগানো। একজন আত্মহত্যার আগে মোবাইল চার্জে দেয়? রুমে দুইটি সিলিং ফ্যান, ফাঁস লাগালেন জানালার গ্রিলে? কোন ধরনের ফ্রাস্টেশন নাই, হতাশা নাই, তিনি করলেন আত্মহনন? আচ্ছা, রুমের দরজা ভিতর থেকে সিটকিনি আটকানো ছিল, তাতেই আত্মহত্যা প্রমাণ হয়ে যায়না। এটা অবশ্যই হত্যাকান্ড। খুব ঠান্ডা মাথার হত্যাকান্ড। হয়ত হত্যাকারী খাটের তলায় লুকিয়ে ছিল, ভীড়ের সাথে মিশে গেছে। কিন্তু অবশ্যই হত্যাকান্ড।

কাজী ওহিদ লিখেছেন- এভাবে চলে যাওয়া কখনই মেনে নেয়া যায় না। আর কত হরাতে হবে ? যা শুনেছি তাতে কোন কিছু স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না । সব অস্বাভাবিক !

অরূপ রত্নাকর লিখেন- আজকের ঘটনাটা কি হত্যা নাকি আত্মহত্যা ... জানিনা আসল সত্য। আদৌ পাবলিককে জানতে দেয়া হবে কিনা !!! মনে হচ্ছে শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার তত্ত্বেই সরকারী সিলমোহর পড়বে।

ফেসবুকে শাওন জুবায়ের লিখেছেন- আস্তে আস্তে সবাই নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছি। কোন ক্ষোভ নেই, যন্ত্রণা নেই আছে শুধু একরাশ ঘৃণা। ঘৃণা সেই সিস্টেমের প্রতি যেই সিস্টেম আপনাকে, আমাকে স্বাভাবিক মৃত্যুর অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। শাহরিয়ারের মতো ছেলে আত্নহত্যা করে মারা গেছে এটা বোধহয় আমি নিজের চোখে দেখলেও বিশ্বাস করতাম না, তাও আবার জানালার গ্রীলের সাথে বেল্ট দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায়?? যারা ওকে চেনে সবাই জানে ও কি ছিল! কতটা স্বপ্ন আঁকা ছিলো ওর ওই দুচোখে, কতটা ভাবতো ও মাটি আর মা'কে নিয়ে। একটা হাটুর বয়সী ছেলেও বিশ্বাস করবে না এ উচ্চতায় ইচ্ছা করলেই একটা মানুষ স্বেচ্ছায় মরতে পারে। কিন্তু আজ আমাদের সবই বিশ্বাস করতে হবে, তোতা পাখির মত শেখানো বুলিও আওরাতে হবে নিজের বেঁচে থাকার তাগিদে।

Muhammad Shahriar Majumdar, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। সকল প্রগতিশীল আন্দোলনে এগিয়ে আসা এক দুর্বার নওজোয়ান। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন শাবিপ্রবি সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক আহবায়ক ও সিলেট গণজাগরণ মঞ্চের প্রথম দিকের একজন অন্যতম কর্মী। তাঁর লেখালেখি আর সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে শাবিপ্রবির অন্যতম পরিচিত মুখে পরিণত করেছে। রাজনৈতিক মতের পার্থক্য হয়তো ছিল কিন্তু সহযোদ্ধাদের নির্মম পরিণতিতে যখনই ভেঙ্গে পড়েছি সবসময় পাশে পেয়েছি তোকে। শূধু বন্ধু বলে নয়, একজন সহযোদ্ধা হিসেবেও এই ক্ষতির পরিমাপ আমার জানা নেই। গত সপ্তাহেও বেঙ্গলের কনসার্টে আসার কথা দিয়ে আজ হঠাৎ এভাবে চলে গেলি তুই?? দেরি হবে না বন্ধু,

চলে যাওয়ার মিছিলে আজ আমরা সবাই। হয়তো শীগগিরই দেখা হবে। ততদিন পর্যন্ত ভালো থাকিস, পরপারের মিছিলের পাশের জায়গাটা রাখিস।।

মেহেদি হাসান তন্ময় লিখেন- স্বপ্নবাজ মানুষ কি আত্মহত্যা করে? কোমর পর্যন্ত উচ্চতায় ফাঁসি নেয়া যায়? জানালায় আত্মহত্যা করা যায়? দম নিতে না পারলে হাত কি জানালার গ্রীল ধরবে না? আত্মহত্যা কি লেপটপ অন করে করে!

হতাশায় পড়ে থাকলে সৃজনশীল মানুষ, যে মুক্তচিন্তা করে এবং একজন এক্টিভিস্ট সে আত্মহত্যা করবে? আত্মহত্যা? মেনে নিতে পারছি না।
.
তাকে হুমকিও দেয়া হয়েছে। তবে কি এখনো আত্মহত্যায় বিশ্বাস করবো?

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.