সিলেটটুডে ডেস্ক | ০৭ অক্টোবর, ২০১৯
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শের-ই-বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাবি ও বুয়েট ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। বৃষ্টিতে ভিজে বিচার দাবি করছেন তারা।
সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয়।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুর।
প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্র ফেডারেশনসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন।
এ দিকে আবরার হত্যার প্রতিবাদে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের প্রভোস্টের কার্যালয় ঘেরাও করেছেন শের-ই-বাংলা হলের ছাত্ররা।
রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা আবরারকে পেটান। রোববার (৬ অক্টোবর) রাত তিনটার দিকে হল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
সোমবার সকালে এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চকবাজার থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হেফাজতে নেওয়া দুজন হলেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন৷ তারা দুজনই বুয়েটের শিক্ষার্থী। শের-ই-বাংলা হলে থাকেন।
চক বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব হোসেন জানান, আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফুয়াদ ও রাসেল নামে দুজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তারা দুজনই বুয়েটের শিক্ষার্থী, শের–ই–বাংলা হলে থাকেন।
পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার মুনতাসিরুল ইসলাম বলেন, আবরারের পায়ে ও ঊরুতে আঘাতের চিহ্ন ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আঘাতজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। আমরা সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছি। কারণ বুয়েট একটি সম্মানজনক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আমরা তদন্ত করছি