সিলেটটুডে ডেস্ক | ০৭ মার্চ, ২০১৫
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেছেন, ‘সজিব ওয়াজেদ জয়কে গুম করতে গিয়ে ধরা খাইয়া গেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও তার ছেলে তারেক রহমান। ৫ বছরের জেলও হইছে।’
শনিবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘কোকোর মৃত্যুর পরে মাতৃস্নেহ নিয়ে পুত্রহারা মায়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। তাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। আবার খালেদা ও তারেক অ্যামিরিকায় প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়কে গুম করার ষড়যন্ত্র করেছিল। কিন্তু ধরা পইরা গেছে। ৫ বছরের জেলও হইছে। এটাই প্রধানমন্ত্রী ও খালেদার সঙ্গে পার্থক্য। একজন পুত্র মৃত্যুর পর দেখতে যান, আরেকজন প্রধানমন্ত্রীর ছেলেকে মারতে চান।’
কূটনীতিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা সংলাপের কথা বলেন। কিন্তু আপনারা কি নাইজেরিয়ার বোকো হারাম বা সিরিয়ার আইএসের সঙ্গে সংলাপ করবেন?’
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, ‘হাওয়া বিবি খালেদা জিয়ার হাতে নারীরাও ক্ষতবিক্ষত। তার এক ছেলে হিরোইন খেয়ে মরে গেছে। আরেক ছেলে ফেরারি আসামী। আরে আপনার কি লজ্জা করে না বড় বড় কথা বলতে?’
তিনি আরো বলেন, ‘খালেদা জিয়া বাংলাদেশকে শেষ করতে চান। আরে পারবেন না। বঙ্গবন্ধুর কন্যা রয়েছেন। বাংলাদেশ মানুষের জন্য, কোনো দানবের জন্য নয়। কোনো দানবের স্থান বাংলাদেশে হবে না।’
বিকাল ৩টা ১০ মিনিটে সমাবেশস্থলে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোয়া ৩টায় ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা ইলিয়াছ হোসাইন বিন হেলালীর কোরআন তেলওয়াতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হয়।
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম প্রমুখ।