সংবাদ বিজ্ঞপ্তি | ২৫ মে, ২০২৬
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বিএফএফ) এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব উন্নয়ন উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক আব্দুল সাত্তার।
গত বৃহস্পতিবার রাতে বিএফএফ’র সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুশার স্বাক্ষরিত এক নিয়োগপত্রে তাকে নিয়োগ দেওয়ার তথ্য জানানো হয়।
নিয়োগপত্রে উল্লেখ করা হয়, আব্দুল সাত্তার ফেডারেশনের পক্ষে আন্তর্জাতিক সংস্থা, ফুটবল ক্লাব, ফেডারেশন, প্রতিষ্ঠান ও সম্ভাব্য অংশীদারদের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমন্বয় করবেন। বিশেষ করে যৌথ সহযোগিতামূলক উদ্যোগ, ফুটবল উন্নয়ন চুক্তি, আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট ও প্রতিযোগিতা আয়োজন, বিনিময় কর্মসূচি, প্রশিক্ষণ সুযোগ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়ন ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার কাজেও তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিএফএফ জানিয়েছে, আব্দুল সাত্তারের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, বিস্তৃত পেশাগত নেটওয়ার্ক এবং ফুটবলের অগ্রগতির প্রতি তার আন্তরিক অঙ্গীকার ফেডারেশনের আন্তর্জাতিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে। তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব বিএফএফ’র কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি গঠিত বিএফএফ’র আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কমিটিতেও যথাসময়ে তাকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে নিয়োগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নিয়োগ দেশের ফুটবলের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ফুটবলকে আরও এগিয়ে নিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব উন্নয়ন উপদেষ্টা আব্দুল সাত্তার কালবেলাকে বলেন, আমাকে উপদেষ্টা বানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানই। আমার মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ ফুটবলকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এগিয়ে নেওয়া এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের অবস্থানে নিয়ে যাওয়া। এজন্য দেশি-বিদেশি প্রতিভাবান ফুটবলার খুঁজে বের করা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় বাছাই করা এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ফুটবল উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন দেশের জনপ্রতিনিধি, মন্ত্রী এবং ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। অনেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কেউ ফুটবল একাডেমি গড়ে তুলতে চান, আবার কেউ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আধুনিক ট্রেনিং গ্রাউন্ড নির্মাণে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ফুটবলের অবস্থান শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হবে। তার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে নিয়ে যাওয়া।
ফুটবলপ্রেমীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, এটি স্বাস্থ্য, সমাজ ও দেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে আমরা বাংলাদেশের ফুটবলকে আরও এগিয়ে নিতে পারি।