ক্রীড়া প্রতিবেদক | ১৭ অক্টোবর, ২০১৫
জাতীয় লীগের চতুর্থ রাউন্ডের প্রথম দিন ছিল বোলারদের রাজত্ব। বগুড়ায় টস জিতে বরিশালকে ব্যাটিং-এ পাঠান অলক কাপালি। নাসুম, কাপালিদের দারুণ বোলিংয়ে মাত্র ১৫৫ রানে গুটিয়ে যায় শাহরিয়ার নাফিসের দল।
বরিশালের আল-আমিন সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন। সিলেটের পক্ষে নাসুম আহমেদ ৪ এবং অলক কাপালী ২ উইকেট পান।
জবাবে দিন শেষে সায়েম আলমের উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান তুলেছে টেবিলের তলানিতে থাকা সিলেট।
রংপুর-খুলনা
আগের ম্যাচেই সঞ্জিত সাহা নিয়েছিলেন ১১ উইকেট। রংপুরের তরুণ অফ স্পিনার এবার ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে প্রথম দিনে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
খুলনায় জাতীয় লিগের চতুর্থ রাউন্ডে প্রথম স্তরের ম্যাচের প্রথম দিনটিতে ঢাকা মেট্রো খেলেছে মন্থর ক্রিকেট। রংপুরের বিপক্ষে সারা দিনে ৯২ ওভার ব্যাটিং করে তুলেছে ৭ উইকেটে ২১১ রান।
আগের ম্যাচে এই শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামেই ১১ উইকেট নিয়েও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি সঞ্জিত। এবারও প্রথম দিনেই এগিয়ে রাখলেন দলকে। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এই তরুণ অফ স্পিনার নিয়েছেন ঢাকা মেট্রোর তিন অভিজ্ঞ মিডল অর্ডার মাহমুদউল্লাহ, মার্শাল আইয়ুব ও মেহরাব হোসেনের উইকেট। সারাদিনে ২৯ ওভার বোলিং করে রান দিয়েছেন মাত্র ৪৩।
চট্টগ্রাম-রাজশাহী
চট্টগ্রামের অফ স্পিনার ইফতেখার সাজ্জাদের ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে আড়াই সেশনেই গুটিয়ে গেছে রাজশাহী।
২০৮ রানে অলআউট হয়ে যাওয়া রাজশাহী দিনের শেষ ঘণ্টায় বল করে চট্টগ্রামের একটি উইকেটও নিতে পারেনি। তামিম ইকবাল ও নাফিস ইকবালের দৃঢ়তায় প্রথম দিন শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৩ রান। তামিম ৩৫ ও নাফিস ৭ রানে ব্যাট করছেন।
খুলনা- ঢাকা
এদিকে ফতুল্লায় ঢাকার বোলারদের বিপক্ষে রীতিমতো নাকানি চুবানি খেয়েছে ইমরুল-আনামুলদের খুলন। মাত্র ১১৭ রানে গুটিয়ে ম্যাচ ব্যাকফুটে টেবিলের শীর্ষে থাকা দল।
খুলনার ইনিংস গুড়িয়ে দিতে মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন ঢাকার মাসুম খান। মাত্র ১১ রানে ৪ উইকেট পেয়েছেন তিনি। এদিকে ৩ উইকেটের ৭৭ রান করে দিন শেষ করেছে শরিফের ঢাকা। জয়রাজ অপরাজিত আছেন ৪৯ রান করে। খুলনার মুস্তাফিজ নিয়েছেন ২ উইকেট।