সিলেটটুডে ডেস্ক | ০৫ মার্চ, ২০২২
দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ফলে সিরিজ সমতায় ফিরতে হলে আফগানদের করতে হবে ১১৬ রান।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে বাংলাদেশ হারাতে থাকে উইকেট। অভিষেকে ১৭ রান করলেও দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দুই অঙ্কের ঘর পার হতে পারেননি মুমিম শাহরিয়ার। মোহাম্মদ নবীর করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের চতুর্থ বলে মিড অফে ক্যাচ দেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ১০ বলে ১ চারে মুনিমের ব্যাট থেকে আসে ৪ রান। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে মাত্র ৪ রানে ফেরেন মুনিম শাহরিয়ার। আর চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে ফেরেন লিটন দাস। আগের ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি করে ইনিংসের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন। এই ম্যাচেও ১ ছয় মেরে তেমন আভাসই দিচ্ছিলেন; কিন্তু ১০ রানে থামতে হয় তাকে। আজমতুল্লাহ ওমরজাইয়ের বলে ক্যাচ দেন শরফুদ্দিন আশরাফের হাতে।
ইনিংসের নবম ওভারে রশিদ খানের বল লাগে নাঈমের পায়ে। জোরালো আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। কিন্তু রান নিতে গিয়ে নন-স্ট্রাইক প্রান্তে করিম জানাতের থ্রোতে আউট হন বাঁহাতি এই ওপেনার ব্যাটস্যমান। ১৯ বলে ১৩ রান করেন তিনি। ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন ধুঁকছিল তখন হাল ধরতে পারেননি সাকিব আল হাসানও। আজমতুল্লাহর বলে মারতে গিয়ে উইকেটের পেছনে বল তুলে দেন আকাশে। একটু দৌড়ে গিয়ে বল তালুবন্দি করেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ। ১৫ বলে ৯ রান করেন তিনি।
ক্রিজে থিতু হয়েও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি মুশফিকুর রহি। ২৫ বলে ৩০ রান করে ফিরলেন ফজল হক ফারুকির করা ১৭তম ওভারের প্রথম বলে। তার স্লোয়ার বলে কাভারের উপর দিয়ে মারতে গিয়ে ধরা পড়েন মোহাম্মদ নবীর হাতে। এর দুই বল পরেই সাজঘরে ফেরেন মেহেদি হাসান। তিনি রানের খাতাই খুলতে পারেননি। ১৮তম ওভারে চতুর্থ বলে আফিফ হোসেন ফেরার পর ১৯তম ওভারের প্রথম বলে ফেরেন শরিফুল ইসলাম। এর আগে ১৭তম ওভারে ফেরেন মুশফিক-মেহেদি। আফিফ ৯ বলে ৭ রান করেন। শরিফুল রানের খাতা খুলতে পারেননি। ৬ রানের ব্যবধানে বাংলাদেশ হারায় ৪ উইকেট।
আফগানদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট করে নেন ফজল হক ফারুকি ও আজমতুল্লাহ ওমরজাই।