সিলেটটুডে ডেস্ক: | ১৯ মার্চ, ২০২২
রাসি ফন ডার ডাসেন ও ডেভিড মিলারের জুটি ভাঙতে একের পর এক বোলার বদলাচ্ছিলেন তামিম ইকবাল। অধিনায়কের চাওয়া শেষ পর্যন্ত পূরণ করেছেন তাসকিন আহমেদ। তাতে অবশ্য দারুণ অবদান আছে ইয়াসির আলির।
অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বল হাঁটু গেড়ে লেগে ঘুরান ফন ডার ডাসেন। অনেকটা ছুটে গিয়ে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ মুঠোয় জমান ইয়াসির। ভাঙে ৬৪ বল স্থায়ী ৭০ রানের জুটি।
দারুণ বোলিংয়ে ১০ ওভারে কেবল ৩৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেন তাসকিন।
৪০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ৫ উইকেটে ২০০। ক্রিজে মিলারের সঙ্গী আন্দিলে ফেলুকওয়ায়ো।
মিলার-ফন ডার ডাসেনের জুটিতে পঞ্চাশ
দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় আছেন রাসি ফন ডার ডাসেন ও ডেভিড মিলার। বেশ কিছু বড় শটও খেলেছেন তারা। কিন্তু তাদের তত দ্রুত রান তোলার সুযোগ দিচ্ছেন না বোলাররা। ৪৯ বলে এসেছে তাদের জুটির পঞ্চাশ।
বাংলাদেশের চিন্তার কারণ হতে পারে পঞ্চম বোলার। মেহেদী হাসান মিরাজ ৪ ওভারে দিয়েছেন ৩৮ রান। তার বাকি ৬ ওভার ম্যাচে রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
৩৬ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ৪ উইকেটে ১৮২। জয়ের জন্য শেষ ১৪ ওভারে ১৩৩ রান চাই স্বাগতিকদের।
জুটি ভাঙলেন শরিফুল
ধীরে ধীরে মাথাব্যথার কারণ হয়ে ওঠা জুটি ভাঙলেন শরিফুল ইসলাম। বাঁহাতি এই পেসারের বাউন্সার তাড়ার চেষ্টায় কিপারের গ্লাভসে ধরা পড়লেন টেম্বা বাভুমা।
বাড়তি বাউন্স করা বল ঠিক মতো খেলতে পারেননি বাভুমা। তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বলজমা পড়ে মুশফিকুর রহিমের গ্লাভেস। ভাঙে ১০৭ বল স্থায়ী ৮৫ রানের জুটি।
৫৫ বলে দুই চারে ৩১ রান করেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক।
২৭ ওভারে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১২৩। ক্রিজে রাসি ফন ডার ডাসেনের সঙ্গী ডেভিড মিলার।
সৌভাগ্যের ছক্কায় ফন ডার ডাসেনের ফিফটি
ব্যাটের কানায় লাগলেও কোনোমতে বল ছাড়াল সীমানা। সৌভাগ্যের ছক্কায় ৫৭ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করল রাসি ফন ডার ডাসেনের রান
২৪ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ৩ উইকেটে ১১০। ৭ চার ও এক ছক্কায় ৫৮ বলে ৫৫ রানে ব্যাট করছেন ফন ডার ডাসেন। ৪৮ বলে টেম্বা বাভুমার রান ২৮।
জয়ের জন্য শেষ ২৬ ওভারে ২০৫ রান চাই স্বাগতিকদের।
দক্ষিণ আফ্রিকার একশ
ধীরে ধীরে রান বাড়ানোর চেষ্টা করছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এক প্রান্তে সাবধানী টেম্বা বাভুমা। আরেক প্রান্তে দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় রাসি ফন ডার ডাসেন। তিনশ ছাড়ানো লক্ষ্য তাড়ায় ২৩ ওভারে তাদের সংগ্রহ ছুঁয়েছে একশ।
বাভুমা-ফন ডার ডাসেনের জুটিতে পঞ্চাশ
মেহেদী হাসানকে পরপর দুই চারে স্বাগত জানালেন রাসি ফন ডার ডাসেন। তাতে ৭১ বলে টেম্বা বাভুমার সঙ্গে তার জুটির রান গেল পঞ্চাশে।
২১ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ৩ উইকেটে ৯০। ৪০ বলে ২৩ রানে খেলছেন বাভুমা। ৪৮ বলে ফন ডার ডাসেনের রান ৪১।
পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট
নিখুঁত লাইন ও লেংথে বোলিং করে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের সহজে রান করতে দিচ্ছেন না বাংলাদেশের বোলাররা। নতুন বলে তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলামের দারুণ বোলিংয়ে পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট নিয়েছে সফরকারীরা।
১০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ৩ উইকেটে ৪২। ১৬ বলে ১২ রানে ব্যাট করছেন টেম্বা বাভুমা। ৬ বলে ৪ রানে খেলছেন রাসি ফন ডার ডাসেন।
শরিফুল ৫ ওভারের স্পেলে ২৩ রান দিয়ে নিয়েছেন ১ উইকেট। ৩ ওভারে কেবল ১১ রান দিয়ে তাসকিন নিয়েছেন দুটি।
পাওয়ার প্লেতে মুস্তাফিজুর রহমানকে বোলিংয়ে আনেননি অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
তাসকিনের জোড়া আঘাত
দারুণ বোলিংয়ের পুরস্কার দ্রুতই পেলেন তাসকিন আহমেদ। একই ওভারে ফিরিয়ে দিলেন কাইল ভেরেইনা ও এইডেন মারক্রামকে।
চমৎকার এক ডেলিভারির লাইনে যেতে পারেননি ভেরেইনাকে। আম্পায়ার এলবিডব্লিউর জোরাল আবেদনে সাড়া দিলে রিভিউ না নিয়েই ফেরেন তিনি। বল লাগো মিডল স্টাম্পের উপরের দিকে।
২৫ বলে ভেরেইনা করেন ২১।
দুই বল পর ড্রাইভ করার চেষ্টায় পয়েন্টে মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে ধরা পড়েন মারক্রাম। ৩ বল খেলে তিনি খুলতে পারেননি রানের খাতা।
৯ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ৩ উইকেটে ৪০। ক্রিজে টেম্বা বাভুমার সঙ্গী রাসি ফন ডার ডাসেন।
প্রথম আঘাত শরিফুলের
অফ স্টাম্পের বল কাইল ভেরেইনা ঘুরাতে চাইলেন লেগে, ব্যাটের কানায় লেগে থার্ড ম্যান দিয়ে পেয়ে গেলেন ছক্কা! তবে চমৎকার বোলিংয়ের ফসল একটু পরেই পেয়ে গেলেন শরিফুল ইসলাম। কট বিহাইন্ড করে দিলেন ইয়ানেমান মালানকে।
ব্যাটের কানায় লেগে মুশফিকের গ্লাভেস যায় বল। আম্পায়ার মনে করেছিলেন, বল ক্যারি করেনি, তার সফট সিগন্যাল ছিল নট আউট। তবে থার্ড আম্পায়ার নিশ্চিত হন, ঠিকভাবেই জমা পড়ে গ্লাভসে।
১০ বলে ৪ রান করে ফিরে যান মালান।
৪ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ১ উইকেটে ১৮। ক্রিজে ভেরেইনার সঙ্গী অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ৩১৪/৭ (তামিম ৪১, লিটন ৫০, সাকিব ৭৭, মুশফিক ৯, ইয়াসির ৫০, মাহমুদউল্লাহ ২৫, আফিফ ১৭, মিরাজ ১৯*, তাসকিন ৭*; এনগিডি ১০-১-৭৫-১, রাবাদা ১০-০-৫৭-১, ইয়াসেন ১০-১-৫৭-২, মহারাজ ১০-০-৫৬-২, ফেলুকওয়ায়ো ১০-১-৬৩-১)